রমজানে এ বছর বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরও সর্বনিম্ন ৭০ টাকাই ছিল তবে সর্বোচ্চ ছিল ২ হাজার
রোজা পালনকারীর জন্য জান্নাত সুনিশ্চিত। জান্নাতে যাওয়ার অন্যতম আমলও রোজা। আবার নিঃসন্দেহে আল্লাহর দিদার পাওয়ার মাধ্যমও এটি। রোজার বিনিময়ে জান্নাত পাওয়ার বিষয়টি হাদিসের একাধিক বর্ণনায় ভিন্ন ভিন্নভাবে ফুটে ওঠেছে- >
বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে রোজা শুরু হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ও
আগামীকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে ওই রাতেই তারাবিহ এবং পরের দিন বুধবার রোজা পালন করবে মুসলিম উম্মাহ। মঙ্গলবার বাংলাদেশের আকাশে কোথাও চাঁদ দেখা না গেলে শাবান মাস
আজকে বাংলাদেশের আকাশে কোথাও সাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি, তাই আগামী ২৯ মার্চ দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। আজ রবিবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ
আগামী ১১ মার্চ (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবে মেরাজ পালিত হবে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় (বাদ মাগরিব) ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে সভার সভাপতি ধর্ম
মানুষের সহস্র প্রয়োজন ও চাহিদা থাকে। প্রয়োজনের তাগিদে মানুষ সব করে। চাহিদা পূরণে কেউ সাধ্যের কমতি করে না। ধর্মপ্রাণ মানুষ বিশ্বাস করে, আল্লাহর কাছে নিজের প্রয়োজন ও চাহিদার কথা তুলে
যারা সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবেন, তাদের বর্ণনা এসেছে হাদিসের বর্ণনায়। কী আমলের বিনিময়ে কারা সবার আগে বিনা হিসেবে জান্নাতে যাবেন? তাদের লক্ষণই বা কী হবে? এ সম্পর্কে বিশ্বনবিই বা কী
অযথা কারো প্রতি ধরণা করা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ। আর এ ধারণা যদি মহান আল্লাহর ব্যাপারে হয় তবে বিষয়টি কেমন হবে। এ সম্পর্কে হাদিসের নির্দেশনাই বা কী?
এক শব্দের ছোট্ট একটি আমল, যা পড়লে মহান আল্লাহ বান্দাহকে ১ হাজার নেকি দান করেন এবং ১ হাজার গোনাহও মাফ করে দেন। মুমিন বান্দার জন্য এর চেয়ে সহজ আমল আর