1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১লা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
প্রধান সড়কে তুলার দোকান, প্রকাশ্য তুলোধুনোতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা অর্জনের জন্য চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ ফুলছড়িতে নবজাগরণ পাঠাগারের আয়োজনে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা গাইবান্ধায় নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার : মিলল হাতে লেখা চিরকুট তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৫ মাসের জেল তারেক রহমানের রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার পথপরিক্রমা ধানমন্ডিতে জোড়া খুন: গৃহকর্মী সুরভীর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হামলায় নিহত ১৪ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

৪ উপজেলার ২৯টি ইউনিয়নের ১৯০টি গ্রামে ২ লাখ ১০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ২ শিশুর মৃত্যু : খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৭
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বৃহস্পতিবার গাইবান্ধার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। গত দু’দিনে বন্যার পানিতে ডুবে সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নে বুধবার রাতে স্বপ্না খাতুন এবং বৃহস্পতিবার দুপুরে ফুলছড়ি উপজেলার কাবিলপুরে পিনহা নামে দু’টি শিশু মারা যায়। বন্যা কবলিত এলাকার পানিবন্দী মানুষরা খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সংকট, পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থাসহ নানা সমস্যায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। গবাদি পশু, হাঁস-মুরগী নিয়েও তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে নদী ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের গো-ঘাট এলাকায় অব্যাহত ভাঙ্গনে এখন বিপন্ন।

জেলা প্রশাসন সুত্রে এসব তথ্য জানা গেছে, এ পর্যন্ত জেলার ফুলছড়ি, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার ২৯টি ইউনিয়নে ১শ’ ৯০টি গ্রামে ২ লাখ ১০ হাজার বন্যা কবলিত মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া নতুন করে ১২ হাজার ৭শ’ বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২৪টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে সাড়ে ৩ হাজার লোক আশ্রয় গ্রহণ করেছে। এদিকে ২শ’ ৪১ হেক্টর জমির পাট, আউশ ধান, আমন বীজতলা ও শাকসবজি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৮১ কি.মি. সড়কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় ৪টি উপজেলার ১২৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!