1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৮শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
কারাগারে অসুস্থ অবস্থায় মেডিকেলে মৃত্যু পলাশবাড়ী উপজেলা আ’লীগ সভাপতি লিপন সরকারের দাফন সম্পন্ন নির্বাচনে বিএনপি ৪৯.৯৭ শতাংশ, জামায়াত ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে : ইসি মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ-১ আসনে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবীতে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন তিন নেতার হাতে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা ট্রাম্পের বর্ণবাদী ভিডিও বিতর্কে ‘রাজনীতির শালীনতা হারাচ্ছে’ : ওবামা কারাগারে অসুস্থ হয়ে রংপুর মেডিকেলে মৃত্যু: পলাশবাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ সামিকুল ইসলাম লিপন আর নেই গাইবান্ধার ৫টি সংসদীয় আসনে ২ নারীসহ ২৮ প্রার্থীর জামানত হারালেন গাইবান্ধা–২ আসনে পুনর্ভোটের দাবি বিএনপি প্রার্থীর গাইবান্ধা–৪-এ ভোটে অনিয়মের অভিযোগ। পাঁচ কেন্দ্রে পুনঃভোট ও সব কেন্দ্রের পুনর্গণনার দাবি

পলাশবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী কালীবাড়ী হাটে চামড়া বেচাকেনা-এখন শুধুই স্মৃতি!

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবেদক,মোঃফেরদাউছ মিয়া,পলাশবাড়ীঃ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর শহরের ঐতিহ্যবাহী কালীবাড়ী হাট এক সময় ছিল উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বড় চামড়ার হাট। ঈদুল আযহার পর পশু কুরবানির চামড়া বিক্রি করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, এতিমখানা ও গরীব-দুঃখীরা সহায়তা পেতো। কিন্তু আজ চামড়া বেচাকেনার সেই দিনগুলো যেন কেবলই সোনালী অতীত।

ঈদুল আযহার কুরবানির ১২তম দিন ১৮ জুন, বুধবার বসে কালীবাড়ী হাট। এর আগে ৭ জুন (শনিবার) সারাদেশে উদযাপিত হয় ঈদ। ঈদের পর প্রথম বুধবার (১১ জুন) হাটে উল্লেখযোগ্য চামড়া না আসলেও দ্বিতীয় বুধবারে কিছুটা চাঙা ভাব লক্ষ্য করা গেছে। ছোট-বড় নানা সাইজের চামড়া এসেছে, ছিল মৌসুমি ফড়িয়া ও ক্রেতাদের উপস্থিতিও।

একসময় এই হাটে সপ্তাহের দুইদিন (বুধ ও শনিবার) চামড়া কেনাবেচার ধুম পড়ে যেতো। আজিমপুর, পোস্তা এবং ঢাকার বিভিন্ন ট্যানারির আড়ৎদাররা আসতেন সরাসরি। চলতো রাতভর বেচাকেনা, গুণগত মান যাচাই, এবং ঢাকাইয়া ভাষার মিলনমেলা। স্থানীয় কুলি-মজদুরদের জন্য এটি ছিল বাড়তি আয়ের সুবর্ণ সুযোগ। গড়ে উঠেছিল ছোট-বড় গুদাম ও আড়ৎ। কিন্তু এখন সেসব কেবলই নিস্তব্ধ স্মৃতি।

গত এক দশকে চামড়ার বাজার দর পড়তির দিকে। সিন্ডিকেট, নীতির অভাব ও সরকারের অদূরদর্শিতায় খাতটি ধ্বংসের মুখে। বর্তমানে অনেক ব্যবসায়ী পুঁজি হারিয়ে পথে বসেছেন। হাটের চাহিদা কমায় সরকারি ইজারাও কমতে শুরু করেছে। চামড়া থাকলেও নেই মহাজন, আবার মহাজন থাকলেও নেই চামড়া। অথচ চামড়া দিয়ে তৈরি পণ্যের দাম আকাশচুম্বী।

একসময় এই হাটকে কেন্দ্র করে মিষ্টির দোকান, অস্থায়ী হোটেল, খাবারের দোকানে জমজমাট পরিবেশ থাকত। আত্মীয়স্বজন হোটেলে উঠতেন আগেভাগেই। এখন তেমন কিছুই আর চোখে পড়ে না।

তবে প্রশাসন এবারও হাট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে তৎপর। থানা অফিসার ইনচার্জ জুলফিকার আলী ভুট্টো জানান, চামড়া বেচাকেনা এবং অর্থ লেনদেনে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে লক্ষ্যে পুলিশের কঠোর নজরদারি রয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!