1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন
৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৪ঠা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানালেন জামায়াত আমিরসহ বিরোধীদলীয় নেতারা ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ পীরগঞ্জে কোচিং বাণিজ্যে শিক্ষকদের লোলুপ দৃষ্টি! শিক্ষা কি এখন আর মানুষ গড়ার কারখানা নয়? পর্ব-৪ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী মূল্যায়ন উপলক্ষে গাইবান্ধায় সিপিবি’র বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভা নবনির্বাচিত এমপি’র আগমন উপলক্ষে পলাশবাড়ী উপজেলার সকল দপ্তর প্রধানগণের সাথে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা গাইবান্ধায় গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে মাসব্যাপী ইফতার ও রাতের খাবার কর্মসূচি শুরু ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ— লালমনিরহাটে ত্রাণমন্ত্রী দুলু সাদুল্লাপুরে গণপিটুনিতে নিহত দুইজনের পরিচয় শনাক্ত

রংপু‌রের মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা: অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন, ওসি অবরুদ্ধ

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ১১ মে, ২০২৫
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

রংপুর প্রতিনিধিঃ

রংপুরের মিঠাপুকুরে সাত বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১১ মে) সকালে শ্রীপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ফজলু মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই নৃশংসতায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত ফজলুর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে এবং বাড়ির গাছপালা কেটে ফেলে।

নিহত শিশুটি শ্রীপুর গ্রামের আরিফুল ও তার স্ত্রীর একমাত্র সন্তান ছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহত শিশুর স্বজনদের অভিযোগ, ফজলু মিয়া শিশুটিকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে সে শিশুটিকে ধর্ষণ করে এবং পরবর্তীতে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। এরপর মরদেহ বাড়ির ভেতরে বালির নিচে চাপা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে এলাকাবাসী ফজলুর বাড়িতে বালির নিচে শিশুটির মৃতদেহ খুঁজে পায়। এই ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তারা তাৎক্ষণিকভাবে ফজলুকে আটক করে তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং বাড়ির গাছপালা ধ্বংস করে ফেলে। খবর পেয়ে মিঠাপুকুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফজলুকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

এদিকে এই ঘটনা প্রসঙ্গে আপত্তিকর মন্তব্য করলে জনরোষে পড়েন মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক। এক পর্যায়ে উত্তেজিত জনতা ওসিকে ধাওয়া করে। প্রাণ বাঁচাতে ওসি একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলে বিক্ষুব্ধ জনতা প্রায় চার ঘণ্টা ধরে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

দীর্ঘ সময় ধরে ওসি অবরুদ্ধ থাকার খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠে নামে জেলা পুলিশ প্রশাসন। পরবর্তীতে পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সেনাবাহিনী, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ও অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রায় চার ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ ওসি আবু বকর সিদ্দিককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
এই ঘটনায় পুরো মিঠাপুকুর এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত ফজলু মিয়ার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছে এবং ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!