1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১২ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
খামেনির মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ‘কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি’ দেওয়া হবে : বিপ্লবী গার্ডস মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত গোবিন্দগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকা শামসুন্নাহার রুমা’র মরদেহ উদ্ধার পলাশবাড়ীতে দি ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ইফতার মাহফিল মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পলাশবাড়ীতে বসতবাড়ীতে মব সৃষ্টি করে চাঁদা দাবি, প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন পলাশবাড়ীতে পলাশফুলের চারা রোপণে খবরবাড়ি টুয়েন্টি ফোর ডটকমের ব্যতিক্রমী আয়োজন রমজানে দুলুর নির্দেশে বিএনপির ‘জনতার বাজার’ অর্ধেক দামে পণ্য পেয়ে স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে পলাশবাড়ীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা পাটগ্রামে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, ওয়ালটন প্লাজা ম্যানেজারের মর্মান্তিক মৃত্যু

কানাডার যে শহরের বাসিন্দা মাত্র চারজন, একজন আবার মেয়র

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ২ জুলাই, ২০১৭
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

 

শুনলে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে এই শহরের বাসিন্দা মাত্র চারজন। তাদের মধ্যে আবার একজন মেয়রও আছেন।

শুধু তাই নয়, শহরে ডাক ব্যবস্থা থেকে শুরু করে অন্যান্য নাগরিক সেবা কার্যক্রমও চালু আছে।

হ্যাঁ, এই শহরটি কানাডায়। এবং এর নাম টিল্ট কোভ।

এটি কানাডার সবচেয়ে ছোট শহর তো বটেই, হয়তো পৃথিবীরও সবচেয়ে ছোট্ট টাউন হতে পারে।

এই চারজন বাসিন্দা শহরটিকে খুব ভালোবাসেন এবং তারা বলেছেন, এখান থেকে চলে যাওয়ার কোন ইচ্ছে তাদের নেই।

চারজন বাসিন্দা হলেও বলা চলে সবাই একটি পরিবারেরই সদস্য।

স্বামী মেয়র, মেয়রের বোন এবং তার একজন শ্যালক ওই শহরের দু’জন কাউন্সিলর এবং অন্যজন শহর কর্তৃপক্ষের ক্লার্ক বা কর্মচারী। এই চারজন ছাড়া টিল্ট কোভে আর কেউই থাকে না।

কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড এবং ল্যাবরাডরের শহর এই টিল্ট কোভ।

চারজনের একজন মার্গারেট কলিন্স, যিনি ক্লার্ক হিসেবে কাজ করছেন, তার জন্ম এই শহরেই। এখানেই তিনি বেড়ে উঠেছেন।

তিনি বলেন, টিল্ট কোভে সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা যখন ছিলো তখন সেটি ছিলো ২,০০০। আর তা হয়েছিলো সেখানে মাইনিং -এর কাজের জন্যে।

তখন সেখানে নাগরিকদের যা যা কিছু লাগে তার সবকিছুই তৈরি করা হয়েছিলো।

কিন্তু ১৯৬৭ সালে এই খনিটির কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয় এক দুর্ঘটনার পর। তারপর শহরের সব বাসিন্দারা এখান থেকে চলে যান চিরতরে।

শহরের মেয়র ডন কলিন্স বলেন, মাত্র চারজন বাসিন্দা হওয়ার কারণে তাকে খুব বেশি কাজ করতে হয় না। তবে তিনি খুশি।

চিঠি সরবরাহ, আবর্জনা সংগ্রহ, রাস্তাঘাট রক্ষণাবেক্ষণের মতো কাজগুলোও তাকে দেখভাল করতে হয়। শহরে একটি জাদুঘরও আছে।

মেয়র ডন বলেছেন, পুরো জীবনটাই তিনি টিল্ট কোভে কাটিয়েছেন। বাকি জীবনটাও কাটাতে চান এখানে।

মার্গারেট কলিন্স বলছেন, এখন তারা বুড়ো হচ্ছেন। একসময় তারাও হয়তো এই শহর থেকে চলে যেতে বাধ্য হবেন এবং সেটি হবে তার জীবনের সবচে দুঃখজনক ঘটনা।সূত্র- বিবিসি

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!