1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০৭ অপরাহ্ন
৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে আবারও রাজনৈতিক সরবতা,উদ্বোধন হলো আওয়ামী লীগের কার্যালয় পলাশবাড়ীতে অতর্কিত হামলায় যুবদল কর্মী গুরুতর আহত, বিচ্ছিন্ন দুই আঙুল এবারের নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য উৎকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকবে : প্রধান উপদেষ্টা গণঅভ্যুত্থানের পর প্রথম ভোট : সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে নেপালের রাজনীতি সরকার চাইলে সব ধরনের সহায়তা করবে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান চরমোনাই পীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তারেক রহমান ইউএনও কার্যালয়ে গোপনে ভিডিও ধারণ, থানায় জিডি: পলাশবাড়ীতে বৃদ্ধ দম্পতির জমি দখল অভিযোগে নতুন মোড় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে এনসিপি, ধন্যবাদ জানালেন প্রধান উপদেষ্টা পলাশবাড়ীতে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন পলাশবাড়ীতে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার রোধে আলোচনা সভা

বিজিবির কাছে ল্যান্স নায়েকের লাশ হস্তান্তর করল বিএসএফ

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ২৮ জুন, ২০১৭
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

 

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম সীমান্তে তিস্তা নদীতে নিখোঁজ বিজিবি’র ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়ার লাশ উদ্ধার করে বিজিবি’র কাছে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ।

বুধবার সকালে ভারতের অভ্যন্তরে তার লাশ উদ্ধার করে দেশটির সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বিকেলে বিএসএফ সুমন মিয়ার লাশ বিজিবি’র কাছে হস্তান্তর করে। গত সোমবার রাতে নিখোঁজ হন ওই বিজিবি’র ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়া।

লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্ণেল গোলাম মোরশেদ বলেন, দুই দিন পর বুধবার সকাল ১০টার দিকে দহগ্রাম এলাকার ৪ কিলোমিটার ভাটিতে ভারতের অভ্যন্তরে তিস্তার নদীতে লাশটি দেখতে পায় এলাকাবাসী। পরে ১৩ ভারতীয় কুচবিহার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ’র একটি টহল দল ওই বিজিবি’র ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়ার লাশটি উদ্ধার করে। বিকেলে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবি’র কাছে লাশ হস্তান্তর করে বিএসএফ।

তিনি আরো জানান, বিকেল ৩ টার দিকে ভারতীয় কুচবিহার জেলার মেখলীগঞ্জ থানার অরুন ক্যাম্পের ২২ বিএসএফ’র কোম্পানী কমান্ডার বিনোদে রাজ লাশ হস্তান্তর করেন।

এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, বিজিবি’র রিজিওনাল কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম সাইফুল ইসলাম সাইফ ও বিজিবি’র রংপুর সেক্টর কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ।

পরে তিস্তা ব্যারাজ অবসরে ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়া’র সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করেন পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম পুলিশ ফাড়িঁর ইনচার্জ হানিফ। লাশ ময়না তদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

বিজিবি’র ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়ার বাড়ি সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার আটঘড়িয়ার আউশপাড়া এলাকায়। তার বডি নং ৭৬২৪১।

সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী শেষে পাটগ্রাম থানার ওসি অবনী শংকর কর জানান, বিজিবি’র ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়ার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট এলে পুরো বিষয়টি পরিস্কার হওয়া যাবে।

বিজিবি’ সুত্রে জানা গেছে, দুই দিন ধরে ভারতীয় বিএসএফ, বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরী দলের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনও তাকে উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেয়। বিজিবি বিমান বাহিনীর অত্যাধুনিক স্ক্যানিং ক্যামেরা যুক্ত হেলিকপ্টার সহায়তা চায়। কিন্তু তিস্তা নদীর পানি মারাত্মক ঘোলা থাকার কারণে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার ক্যামেরার মাধ্যমে নিখোঁজ বিজিবির ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়াকে উদ্ধার কাজ করাতে পারে নি। ফলে হেলিকপ্টারে উদ্ধার তৎপরতা থেকে সড়ে যায় বিজিবি।

বিজিবি রংপুর সেক্টর কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ বলেন, দহগ্রামে আবুলের চর থেকে তিস্তা ব্যারাজ পর্যন্ত স্পিড বোটে বিজিবির রিজিওনাল কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম সাইফুল ইসলাম সাইফসহ বিজিবি সদস্যরা উদ্ধার কাজে অংশ গ্রহন করেন। বিজিবি, বিএসএফ, ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরী দল নিখোঁজ ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়াকে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। এসব কাজে স্থানীয় জনতাও প্রচণ্ড সহযোগিতা করছে। নদীর পানি মারাত্মক ঘোলা হওয়ার কারণে হেলিকপ্টার ক্যামেরার মাধ্যমে উদ্ধার কাজ চালানো সম্ভব হয়নি। উদ্ধার কাজে দুই দিনে ৫টি স্পিড বোট ব্যবহারসহ পুরো তিস্তা নদীতে জাল পাতানো হয়।

উল্লেখ্য, ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়া রংপুর ৬১-বিজিবি ব্যাটালিয়নে কর্মরত থাকলেও তিনি লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনে দহগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পে সংযুক্ত ছিলেন। গত সোমবার ঈদের দিন রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দহগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পের হাবিলদার আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি টহল দল দহগ্রাম সীমান্তের ৬ নম্বর মেইন পিলারের ৩ নম্বর সাব পিলার এলাকায় তিস্তা নদীতে আবুলের চর যান। এ সময় ল্যান্স নায়েক টুটুল মিয়া, ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়া ও সিপাহী উচ্চ প্রু মারমা ওই টহল টিমে ছিলেন।

আবুলের চর এলাকায় তিস্তা নদীর কিনারে গরু চোরাকারবারীদের সাথে গরু টানাটানির এক পর্যায়ে টুটুল মিয়াকে নদীতে নামানো হয়। এক পর্যায়ে চোরাকারবারীরা গরুর রশি ছেড়ে দিলে দুইটি গরুসহ কোনো রকমে চরে ফিরে আসেন টুটুল মিয়া। এদিকে টুটুল মিয়া তলিয়ে যাচ্ছে ভেবে তাকে উদ্ধারের জন্য রাইফেল ও গোলাবারুদ উচ্চ প্রু মারমার হাতে জমা দিয়ে সুমন তিস্তা নদীতে নামেন। পরে তিনি সেখানেই নিখোঁজ হন।সূত্র- আরটিএনএন

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!