
গাইবান্ধা জেলার সবকয়টি নদ নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, তিস্তা, ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় গতকাল রোববার বিকেল পর্যন্ত যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ১৭ সে.মি, তিস্তা ২৮ সে. মি ও করতোয়া ১৪৫ সে. মি. নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ১৮ সে. মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ফলে নদীর দু’ধারের লোকজন বন্যা আতঙ্কে রয়েছে। এদিকে, ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে শহর রক্ষা বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে কোন নজরদারি লক্ষ্য করা যায়নি।
অপরদিকে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা প্রবল বর্ষণের কারণে প্লাবিত হয়ে পড়েছে তিস্তা, যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের চরসহ ও নিম্নাঞ্চল। এতে পাট, তিল, উঠতি কাউন এবং বিভিন্ন সবজি ক্ষেতসহ তলিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন ফসল। চরাঞ্চলের মানুষের মাঝে বন্যার আতঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক স্থানের রাস্তাঘাটে পানি ওঠায় স্বাভাবিক চলাচলে বিঘিœ হচ্ছে। যমুনায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রোববার দুপুরে সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ উল্যা গ্রামে শ্মশানঘাট সড়কটির নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় সড়কটির বেশিরভাগ অংশ ভেঙে যায়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ওই পথে যানবাহন ও গ্রামবাসীর চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।