
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহিবুল হাসান মুকিতের বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রলীগ।
বুধবার (৮ জুন) দুপুরে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পলাশবাড়ী পৌর শহরের চারমাথা মোড় এলাকায় এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। এতে উপজেলার ছাত্রলীগের সভাপতি আতিক হাসান মিল্লাত ও সাধারণ সম্পাদক মামুনর রশীদ সুমনের নেতৃত্বে প্রায় চার শতাধিক ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।
মানববন্ধন চলাকালে ‘মুকিত হঠাও, পলাশবাড়ী আওয়ামী লীগ বাঁচাও’ ‘জামায়াত পরিবারের সদস্য মুকিতকে আওয়ামী লীগের পদে দেখতে চাই ন ‘ এমন লেখা প্লাকার্ড হাতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীকে মানববন্ধনে দেখা যায়।
এর আগে পলাশবাড়ী মহিলা কলেজ সামন থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়েছে মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে চারমাথায় এসে শেষ করেন। পরে একই স্থানে একটি সমাবেশ করে ছাত্রলীগ।
উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি বকুল উদ্দিন ইমান, সাবেক যুগ্ম আহব্বায়ক তৌফিক আহমেদ শাওন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক মো. শাহাজান শেখ, উপজেলা শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মো.আরিফ সরকার আপেল, মো. হাসান প্রধান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিক হাসান মিল্লাত, সাধারণ সম্পাদক মামুন আর রশিদ সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, পলাশবাড়ী সরকারি কলেজের যুগ্ন আহবায়ক শেখ শহিদ হাসান, পলাশবাড়ী পৌর ছাত্রলীগের আহবায়ক মাসুম সরকার প্রমুখ।
এ সময় বক্তরা বলেন, জামায়াত পরিবারের কোন সদস্য আওয়ামী লীগের কোন দায়িত্বশীল বা নির্বাহী পদে থাকতে পারবে না। এই বিতর্কিত জামায়েত পুত্রের নেতৃত্ব মেনে নেয়া যায় না।
তাদের দাবি, অবিলম্বে মুকিতকে অপসারণ করে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বকে আরও সুসংগঠিত করার লক্ষে পলাশবাড়ী উপজেলা ছাত্রলীগ আজকের এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করছে।প্রসঙ্গত, গত ৪ এপ্রিলে মহিবুল ইসলাম মুকিতের বিরুদ্ধে উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটির সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বরাবর একটি অভিযোগপত্র দায়ের করেন। সেই অভিযোগ কেন্দ্রীয় আমলে নিয়ে কেন্দ্রীয়ের নির্দেশে জেলা আওয়ামী লীগ তদন্ত কমিটি গঠন করেন। সেই তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।