
মো: আলমগীর ইসলাম , বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
একজন নিজ ঘরে বসেই খাচ্ছিলেন ইয়াবা। অন্যজন নেশার টাকা জোগাড় করতে ঢুকে পড়েন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে। খবর পেয়ে দুজনকেই আটক করে থানা পুলিশ। এসব অপরাধের দুই যুবকের মায়েরা কমপক্ষে এক বছর আর স্ত্রীরা ন্যূনতম ছয় মাসের সাজা চেয়েছিলেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত একজনকে তিন মাস এবং আরেকজনকে দুই মাসের সাজা দিয়েছেন।
২৭ ফেব্রুয়ারি সোমবার সন্ধ্যায় দিনাজপুর জেলার বিরামপুর পৌর শহরে এ ঘটনা ঘটে। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- বিরামপুর পৌর শহরের কলাবাগান মহল্লার হাফিজ উদ্দিনের ছেলে রানা (২৬) ও পূর্বজগন্নাথপুর মহল্লার বছির উদ্দিনের ছেলে বুলেট বাবু (৩০)। এদের মধ্যে বুলেটকে দুই মাসের এবং রানাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পরিমল কুমার সরকার।
দু’জনের পরিবার সূত্রে জানা যায়, তাঁরা ঘরে বসেই নিয়মিত মাদক সেবন করতেন। এদিকে মাদক সেবনের দায়ে চলতি মাসের ২ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি বিরামপুর থানা পুলিশ তাঁদের আটক করে আদালতে পাঠায়। পরে জামিনে বেরিয়ে আসেন। এছাড়াও তাঁরা বেশ কয়েকবার জেলও খেটেছেন। এরপরও নেশা থেকে বের হয়ে আসতে পারেননি।
বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত জানান, রবিবার সন্ধ্যায় নেশার টাকা জোগাড় করতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে ঢোকেন রানা। পরে অফিসের লোকজন তাঁকে আটক করে পুলিশকে খবর দেন।
এদিকে বুলেট বাবু নিজ ঘরে বসেই মাদক সেবন কর ছিলেন। তাঁর পরিবারের লোকজনের খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকেও আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাঁদের তিন মাস ও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পরিমল কুমার সরকার এ আদেশ দেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পরিমল কুমার সরকার বলেন, ওই দুই যুবকের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে তাঁদের মায়েদের দাবি ছিল কমপক্ষে তাঁদের এক বছরের সাজা দিতে আর তাঁদের স্ত্রীদের দাবি ছিল ন্যূনতম ছয় মাসের। পরে তাঁদের একজনকে তিন মাস ও অন্যজনকে দুই মাসের সাজা দেওয়া হয়।