মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন
১০ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৫ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
ছেলেকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে গ্রেপ্তার বাবা, পাটগ্রামে সংঘর্ষের পর ৫ জন জেলহাজতে পলাশবাড়ীতে ইউএনও’র গাড়ির ধাক্কায় শিশু গুরুতর আহত, প্রশ্নের মুখে দায়িত্ব ও মানবিকতা সাদুল্লাপুরে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের স্বপ্ন পূরণ গোবিন্দগঞ্জে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র গাইবান্ধায় সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে গাইবান্ধার সদর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে প্রাণখোলা ঈদ আড্ডা ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে সাদুল্লাপুর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান সাংবাদিকতা পেশা কতিপয় ব্যক্তির কারণে বিতর্কিত: তথ্যমন্ত্রী পলাশবাড়ীর ৩ ফিলিং স্টেশনে রেজিস্টার পরিদর্শন, পরিমাপ যাচাই না করায় প্রশ্ন

আফিফ-মিরাজে তাক লাগানো বাংলাদেশের জয়

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

৪৫ রানে ৬ উইকেট পড়ার পর ১২তম ওভার থেকে শুরু হয় আফিফ হোসেন-মেহেদি হাসান মিরাজের প্রতিরোধ। দুজনের অনবদ্য ব্যাটিংয়ে রেকর্ড রানের জুটিতে শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটের অবিশ্বাস্য, তাক লাগানো জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। আফিফ ৯৩ ও মেহেদি ৮১ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। ৩ ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ এগিয়ে গেল ১-০তে।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ফেবারিটের তকমা নিয়েই খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। টস হেরে শুরুতে বোলিং করে নাগালেই বেঁধে ফেলেছিল সফরকারীদের। কিন্তু আফগানিস্তানের শক্তির জায়গা যে তাদের বোলিং ইউনিট সেটি কে না জানত! যদিও তামিমদের পড়াশুনা ছিল মুজিব-রশিদ-নবিদের স্পিন নিয়ে। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারে এদিন ধস নামালেন অচেনা ফজল হক ফারুকী। বিপিএলে মিনিস্টার ঢাকার হয়ে বাজে পারফর্ম করা আফগান এ পেসার এদিন একাই তুলে নেন প্রথম চারটি উইকেট।

এরপর মুজিব এবং রশিদও পেয়েছেন শিকারের দেখা। দলীয় পঞ্চাশের আগে ছয় উইকেট হারিয়ে একসময় একশর আগেই অলআউট হওয়ার শঙ্কা জেগেছিল বাংলাদেশের ইনিংস। কিন্তু সেখান থেকে দলকে টেনে তুললেন। হার না মানা গল্প লিখলেন। যেন ধ্বংসস্তূপে ফুল ফোটালেন দুই তরুণতুর্কি টাইগার ক্রিকেটার আফিফ হোসেন ধ্রুব এবং মেহেদী হাসান মিরাজ। বুক চিতিয়ে লড়ে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে গেলেন। বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে সপ্তম উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটির রেকর্ড গড়লেন আফিফ ও মিরাজ। আগের রেকর্ড ছিল ইমরুল কায়েস ও সাইফউদ্দিনের ১২৭ রান, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

আফগানিস্তানের দেওয়া মাত্র ২১৬ রানের সহজ টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় রান পঞ্চাশ না পেরোতেই ফিরে গিয়েছিলেন দলের প্রথম সারির ছয় ক্রিকেটার। তবে এরপরই হাল ধরেন দুই মিডল অর্ডার ব্যাটার আফিফ এবং মেহেদী মিরাজ।

সিঙ্গেল, ডাবল কিংবা বাজে বলে চার মেরে টপ অর্ডারের ধ্বংসস্তূপে যেন ফুল ফোটান দুজনে মিলে। ৪৫ রানে ছয় উইকেট পড়ে যাওয়ার পর সেখান থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন দুজনে।

এর আগে ১৩ রানের মাথায় উদ্বোধনী জুটি ভাঙে বাংলাদেশের। ফজল হক ফারুকীর বল লিটন দাসের ব্যাটের কানায় লেগে গিয়েছিল উইকেটের পেছনে। উইকেটরক্ষক রহমানুল্লাহ গুরবাজ ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত ক্যাচটি তালুবন্দি করেন। যদিও প্রথম দফায় আম্পায়ার আউট দেননি। পরে রিভিউ নিয়ে সফলতা পায় সফরকারীরা।

লিটন দাসের হতাশার দিনে হতাশা বাড়ালেন ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল। দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছিলেন তামিম। কিন্তু প্রত্যাবর্তনটা রাঙাতে পারলেন না। রান করলেন মাত্র ৮।

ফজল হক ফারুকীর বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন দেশসেরা ওপেনার। কিন্তু এবারও প্রথম দফায় আউট দেননি আম্পায়ার। আবারও রিভিউ, আবারও আফগানিস্তানের সফলতা।

লিটন-তামিমের পথ ধরলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিকুর রহিমও। এবারও বোলার সেই ফজল হক ফারুকী। রিভিউ নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। ৫ বল খেলে করেছেন মাত্র ৩ রান। ফজল হকের টানা চার উইকেটের পর বল হাতে নিয়েই সাফল্য পান তারকা স্পিনার মুজিব উর রহমান। ফরচুন বরিশালের সতীর্থ সাকিব আল হাসান তার বল খেলতে গিয়েও ব্যাট থেকে গিয়ে আঘাত হানে স্ট্যাম্পে। সাজঘরে ফেরেন সাকিব। তার আগে ১৫ বলে এক চারের মারে করেছেন ১০ রান।

এদিকে, ঘরের মাঠে অভিষেক ম্যাচটা রাঙানোর স্বপ্ন বুনেছিলেন চট্টগ্রামের ক্রিকেটার ইয়াসির আলি রাব্বি। কিন্তু টিম টাইগার্সের টপ অর্ডারে ধস নামানো আফগান পেসার ফজল হক ফারুকীর কাছে যেন পাত্তাই পেলেন না। পাঁচ বল খেলে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরেছেন।

শেষ পর্যন্ত আফিফ অপরাজিত ছিলেন ১১৫ বলে ১১ চার ও এক ছক্কায় ৯৩ করে অপরাজিত ছিলেন। এছাড়া মেহেদী মিরাজ অপরাজিত ছিলেন ১২০ বলে ৯ চারে ৮১ রানে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft