গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের অফিস সহায়ক আনিছুর রহমান আনিছের দুর্নীতি অনিয়ম স্বেচ্ছাচারিতা লাগামহীন ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০১৫ সালের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের অফিস সহায়ক হিসেবে প্রতারনার মাধ্যমে তিনি চাকুরী গ্রহণ করেন।মুলত পলাশবাড়ী সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাশ করেন আনিছ। এরপর বয়ষ গোপন করে ৮ম শ্রেনীর নতুন সার্টিফিকেট তৈরী করে তিনি এই পদে যোগদান করেন।
এতেই থেমে থাকেনি প্রতারক আনিস তিনি নওগায় যোগদান করার পর থেকে নিজ উপজেলা গাইবান্ধা পলাশবাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে বদলীর জন্য মন্ত্রণালয়ে দৌর ঝাপ শুরু করেন।সংগ্রহ করেন মাননীয় ডেপুটি স্পিকার মহোদয়ের ডিমেন্ড অর্ডার।বদলীর সকল প্রচেষ্টা ব্যার্থ হওয়ার পর তিনি মন্ত্রণালয়ের জনৈক্য কর্মকর্তার পরামর্শে মিউচুয়াল বদলীর চেষ্টা করেন।
তৎকালীন পলাশবাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে কর্মরত অফিস সহায়ক শ্রী কৃষ্ণ কে মিউচুয়াল বদলীর প্রস্তাব দিলে সে মিউচুয়াল বদলীর কাগজে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করে।এরপর জনৈক্য এক ব্যাক্তির বাসায় নিয়ে তাকে টর্চার করে মিউচুয়াল বদলীর কাগজে স্বাক্ষর করে নেয়।বিষয়টি তৎকালীন ইউএনও তোফাজ্জল হোসেনকে অবগত করলে সাময়িক সমস্যায় পরতে হয় আনিছকে।
পরে আবারো আনিস মিউচুয়াল বদলীর ভুয়া কাগজ তৈরী করে কৃষ্ণের স্বাক্ষর জাতিয়াতি করে তার নিউ উপজেলা পলাশবাড়ীতে বদলী নিয়ে আসেন।
পলাশবাড়ীতে যোগদানের পর আনিস হয়ে ওঠে বেপরোয়া পিআইও অফিসের ঘুসের টাকা কালেকশন,রিলিফের কম্বল নয় ছয়সহ বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মে জরিয়ে পরে।
আনিসের এসব অপকর্মের সুস্ঠ তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন পলাশবাড়ীবাসী।
এ ব্যাপারে মতামত জানতে অফিস সহায়ক আনিছের মোবাইল ফোনে একধিকবার ফোন দিলে ও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
পরবর্তীতে থাকবে কি ভাবে সার্টিফিকেট ও বয়ষ জাতিয়াতি করে সরকারি চাকুরীতে আসেন আনিস।