
দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকার পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলছে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। গত ২০২০ সালের ১১ মার্চ হতে ২০২১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল। তবে শুরুতেই সকল শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসার সম্ভাবনা কম। কোন শ্রেণির শিক্ষার্থী স্কুলে আসবে এ বিষয়ে একটি গাইডলাইন দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নির্দেশনা মোতাবেক সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস এবং পরীক্ষা পরিচালনা করার। সে কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্লাস এবং পরীক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে চলছে নানা প্রস্ততি। করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবান্ধব পরিবেশ তৈরিতেও চলছে নানা কর্মকান্ড।
শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। সকাল ১১টার দিকে পলাশবাড়ী মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাহেদার রহমান সরকারে সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের নির্দেশনা মোতাবেক বিদ্যালয়ের ভবন, অফিস কক্ষ, সকল শ্রেণিকক্ষ, ব্রেঞ্চ, চেয়ার ও টেবিলসহ সকল আসবাবপত্র ইতোমধ্যে ধোয়া-মোছাসহ জীবানুনাশক স্প্রে ছিটানোর কাজ শেষ হয়েছে।
এদিকে, উপজেলার বরিশাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমএ রব মিয়া বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও ধোয়া- মোছাসহ জীবানুনাশক স্প্রে করা সবকিছু শেষ হয়েছে। করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি সতেচনতামূলক ব্যানার-ফেস্টুন ও দেয়াল লিখন।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, উপজেলার ৮ ইউনিয়ন ও ১ পৌসভায় সরকারী ২১৬টি এবং বে-সরকারী ৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এতে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার।
সদর ক্লাষ্টারের উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. আসাদুজ্জামান দোলন বলেন, নির্ধারিত তারিখেই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করতে কোন ধরনের বাধা নেই। ধোয়া-মোছা, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা শতভাগ শেষ হয়েছে। প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে মন্ত্রণালয়ের দেয়া নির্দেশনা বাস্তবায়নে করে যাচ্ছেন।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোসা. নাজমা খাতুন বলেন, প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সমন্বয়ে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার কাছ শেষ হয়েছে। এছাড়াও করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে অভিভাবকসহ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যানার, ফেস্টুন ও দেয়াল লিখনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্দেশনা আছে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে ক্লাশ এবং পরীক্ষা পরিচালনা করতে। তিনি আরো বলেন, এ নির্দেশনাগুলো আমরা অনেক আগেই দিয়েছি এবং তা মনিটরিংও করা হচ্ছে।