1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
১০ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৫ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
ত্রয়োদশ নির্বাচন, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আত্মমর্যাদার সন্ধানে বিএমজেপি ও কমলাকান্ত রায়ের নতুন রাজনৈতিক যাত্রা আগামী কাল পলাশবাড়ীতে আসছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান হংসবাহনা সরস্বতী দেবীর আবাহনে পলাশবাড়ী সরকারি কলেজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গাইবান্ধায় সিপিবির বর্ধিত আলোচনা সভা আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে পলাশবাড়ীতে জামায়াতের বিশাল মিছিল পলাশবাড়ীতে র‌্যাবের অভিযানে ১ টি দেশীয় ওয়ান শুটারগান উদ্ধার পীরগঞ্জ উপজেলার সরকারি কলেজে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হলো সরস্বতী পূজা পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শীতবস্ত্র নিয়ে রোগীদের পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক চিকিৎসা সহযোগিতা সম্প্রসারণ করল যুক্তরাষ্ট্র সুন্দরগঞ্জে ব্যবসায়ীর টাকা হত্যা চেষ্টা ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন

সাঘাটায় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ

  • আপডেট হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা এলাকার ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধটি দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাঁধের উপর অবৈধ জনবসতি এবং বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে উঠায় প্রতিবছর বন্যার সময় মারাত্মকভাবে ভাঙন হুমকিতে পড়ে বাঁধটি। অথচ দেখার কেউ নেই। জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর ডানতীর রক্ষাকল্পে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বিগত ১৯৬৮ সালে এ বাঁধটি নির্মাণ করে। প্রথমদিকে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধটি রক্ষণাবেক্ষণ করলেও আশির দশকের পর থেকে রক্ষণাবেক্ষণ, সংস্কারের অভাবে বাঁধটি দখল করে গড়ে উঠেছে জনবসতিসহ বিভিন্ন ধরণের অসংখ্য স্থাপনা। এমনকি বাঁধ কেটে ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করায় বাঁধটি অতিরিক্ত সরু হয়ে গেছে। এছাড়া বাঁধের মাটি কেটে নিয়ে নিজেদের ঘরের স্থান উঁচু করে নেয়া হয়েছে। ঘরের পাশে খরের স্তুপ রাখায় বাঁধটিতে অসংখ্য ইঁদুর গর্ত করেছে। এতে দুর্বল হয়ে পড়েছে এ বাঁধটি। বন্যায় এ সমস্ত গর্ত দিয়ে পানি চুঁইয়ে পড়ায় বাঁধের বিভিন্ন পয়েন্টে ধসে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের বসন্তেরপাড়া গ্রাম হতে শুরু করে সাঘাটা ইউনিয়নের বাঁধের কোথাও দু’পাশের ঢালু খাড়া করে কেটে সমতল করে সেখানে কোথাও আবার বাঁধের উপর ঘরবাড়ি তুলে লোকজন বসবাস করছে। বিশেষ করে ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ডাকবাংলা বাজার এলাকা হতে সাঘাটা ইউনিয়নের বাশহাটা পর্যন্ত এ বাঁধের অবস্থা বেশী শোচনীয়। এব্যাপারে সাঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন সুইট জানান, বাঁধে বসবসাসরত এসব পরিস্কারে স্থায়ীভাবে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে বাঁধটি মুক্ত করে সংস্কার করা জরুরী। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড জানা গেছে, বাঁধের উপর জনবসতি সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে শক্ত কোন নির্দেশনা আসেনি। সংস্কার করার জন্য এই মুহুর্তে কোন বরাদ্দ নেই। বাঁধটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জনবল না থাকায় তদারকি এবং রক্ষণাবেক্ষন করা সম্ভব হয়নি। তবে বরাদ্দ পেলে বাঁধটির প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft