
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কোনো অপপ্রয়োগ হয়নি বলে মনে করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধন, সংযোজন বা বিয়োজনের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।
শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছেন একাধিক সদস্য।
সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সদস্য বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কোনো অপপ্রয়োগ হয়নি বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই আইনটি নিয়ে ‘বিকল্প’ কিছু ভাবছে না তার সরকার।’
শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে ওই আওয়ামী লীগ নেতারা আরও বলেন, ‘কার্টুনিস্ট কিশোর বাকস্বাধীনতার কথা বলে যা লিখেছে সেটা কি যুক্তিযুক্ত হয়েছে? বাকস্বাধীনতার কথা বলে কিশোর কী করেছে, তার লেখা কি দেশবাসী জানে? আপনারা এগুলো দেশবাসীকে জানান। এ আইনের অপপ্রয়োগ হয়েছে বলে আমি মনে করি না।’
কার্টুনিস্ট কিশোর প্রসঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আই অ্যাম বাংলাদেশি’ নামে ফেইসবুক পেইজে কী করা হয়। বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই এগুলো। অপপ্রচার ছড়ানো হয়। ওখানে যে ধরনের পোস্ট দেওয়া হয়। এগুলো জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।’
‘আই অ্যাম বাংলাদেশি’ নামের ফেইসবুক পেইজে সক্রিয় ছিলেন কার্টুনিস্ট কিশোর। তিনি এবং শায়ের জুলকারনাইন নামে এক ব্যক্তি পেইজটির অ্যাডমিন। পেইজটিতে বাকস্বাধীনতার নামে সরকারের বিরুদ্ধে যাচ্ছেতাই লেখালেখি হয় বলে বৈঠকের আলোচনায় উঠে আসে।
বৈঠকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন-বিএনপি স্থানীয় সরকার নির্বাচন করবে না, এটা বিশ্বাস করি না। তারা সবশেষ নির্বাচন করবে, ভিন্ন ফরম্যাটে। তারা নির্বাচন বানচালের জন্য আগেভাগে ঘোষণা দিয়ে রেখেছে যে তারা নির্বাচন করবে না।