1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ন
১৩ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৮ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
অন্ধকার কাটছে আলোয়, নিরাপত্তা বাড়ছে প্রযুক্তিতে। পলাশবাড়ী পৌরসভায় সড়ক বাতি ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন কার্যক্রম জোরদার ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় কোচিং মাফিয়াদের উপদ্রবে শিক্ষাব্যবস্থা আজ গভীর এক নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকটে দাঁড়িয়ে। গোবিন্দগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের নির্বাচনী কর্মীসভা অনুষ্ঠিত গোবিন্দগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা : ৬ জন গ্রেফতার পলাশবাড়ী দুবলাগাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় ঘুমন্ত হেলপার নিহত, চালক পলাতক তারাগঞ্জের কুর্শায় বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকারের গণসংযোগ অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচিত হলে জামায়াত কোনো প্রতিশোধ নেবে না : ডা. শফিকুর রহমান ভারতে পলাতক হাসিনাকে প্রকাশ্যে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ

ক্ষতিপূরণ না দিয়েই গাইবান্ধা শহর ফোরলেন প্রকল্পে বসতবাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের উদ্যোগ

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে
ক্ষতিপূরণ না দিয়েই গাইবান্ধা শহর ফোরলেন প্রকল্পে বসতবাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের উদ্যোগউচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থা থাকা সত্ত্বেও গাইবান্ধা শহরের বাসটার্মিনাল থেকে ১নং রেলগেট পর্যন্ত ১ কি.মি. সড়কের দু’পাশে শহর ফোরলেন প্রকল্পের আওতায় ক্ষতিপূরণ না দিয়েই একশ’টি পরিবারের বসতবাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের উদ্যোগ নিয়েছে গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদ বিভাগ। এতে অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়েছে ওইসব পরিবার। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভোগীরা ফোরলেন রাস্তা বাস্তবায়নের জন্য রেলগেটের পূর্ব থেকে পুরাতন বাজার পর্যন্ত যেভাবে হুকুম দখল করে ভূমিমালিক ও ভাড়াটিয়াদের প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করা হয়েছে, সেভাবে তাদের সংশ্লিষ্ট জায়গা ও স্থাপনা নিয়মমাফিক হুমুক দখল করে ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানান। এব্যাপারে তারা প্রধানমন্ত্রী এবং সড়ক ও সেতু মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের পক্ষে আব্দুর রশিদ লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গাইবান্ধা সড়ক ও জনপথ বিভাগ ১৯৬৫ সালের ৩৭/৬৫-৬৬ নং প্রস্তাবিত এল.এ কেস মূলে বাস টার্মিনাল থেকে রেলগেট পর্যন্ত ১ কি.মি রাস্তা অধিগ্রহণ হয়েছে বলে দাবী করে ২০০২ সালে রাস্তার দু’পাশের বসতবাড়ী-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লাল দাগ দিয়ে চিহ্ন দেয়। সেই সময় মালিক ও ভাড়াটিয়ারা প্রতিকার ও ন্যায় বিচার চেয়ে সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ২৫৩/০২ নং মামলা করেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে তারা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার রায় পায়। এরপর ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বাদী হয়ে ওই নিষেধাজ্ঞা ডিক্রি রদ চেয়ে গাইবান্ধা সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ১৬৯/১৭ নং মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ৩ বছর চলার পর ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে আদালত সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষে রায় দেন। ভুক্তভোগীরা দায়রা জজ আদালতে আপিল করলে সেটিও খারিজ হয়ে যায়। পরে তারা উচ্চ আদালতে আপিল এ্যাডমিশন আবেদন করে যা প্রক্রিয়াধীন আছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, তাদের মধ্যে ১৬ জন হাইকোর্টের বিচারপ্রতি মো. আসফাকুল ইসলাম ও বিচারপ্রতি মোহাম্মদ আলীর বেঞ্চে ২০২০ সালের ১২ অক্টোবর রিট পিটিশন দাখিল করেন। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত স্থিতাবস্থার (ঝঃধঃঁং-ছঁড়) আদেশ দেন, যা এখনও বহাল রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাবেক পৌর মেয়র মো. শামছুল আলমসহ এএম মাজেদুল ইসলাম, মো. জাহেদুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, মাহফুজার রহমান, শহিদুর রহমান, একেএম শাসুজ্জোহা, খন্দকার ওমর জাহিদ, মাসুদুর রহমান খন্দকার, আব্দুল নুর আল সাঈদ শাহীন, মো. শহিদুর রহমান মিঠু, আলী আহমেদ রওশন, আলী আহমেদ রেজওয়ান, আবু সাদাত মো. সিয়ামুল আলম, আবু সালেহ মো. মুসা প্রমুখ।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft