মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন
১০ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৫ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
ছেলেকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে গ্রেপ্তার বাবা, পাটগ্রামে সংঘর্ষের পর ৫ জন জেলহাজতে পলাশবাড়ীতে ইউএনও’র গাড়ির ধাক্কায় শিশু গুরুতর আহত, প্রশ্নের মুখে দায়িত্ব ও মানবিকতা সাদুল্লাপুরে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের স্বপ্ন পূরণ গোবিন্দগঞ্জে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র গাইবান্ধায় সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে গাইবান্ধার সদর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে প্রাণখোলা ঈদ আড্ডা ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে সাদুল্লাপুর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান সাংবাদিকতা পেশা কতিপয় ব্যক্তির কারণে বিতর্কিত: তথ্যমন্ত্রী পলাশবাড়ীর ৩ ফিলিং স্টেশনে রেজিস্টার পরিদর্শন, পরিমাপ যাচাই না করায় প্রশ্ন

আদালত চত্বরেই ধর্ষকের সাথে নির্যাতিতার বিয়ে

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

ঝালকাঠির আদালত চত্বরে ধর্ষণ মামলার আসামীর সাথে নির্যাতিত তরুণীর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। ঝালকাঠির অবকাশকালীন জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল্লাহর নির্দেশে আজ রবিবার দুপুরে দুইপক্ষের উপস্থিতে বিয়ে পড়ান কাজী মাওলানা মোঃ সৈয়দ বশির।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিয়ের বর হলেন বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগাতি গ্রামের আনোয়ার সরদারের ছেলে নাঈম সরদার (২২) আর কনে হলেন ঝালকাঠির বালিঘোনা গ্রামের মৃত মোশারফ হোসেনের মেয়ে আরজু আক্তার (১৮)। বিয়ের পর আসামী বর নাঈমের জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক মো. শহিদুল্লাহ।

পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল মান্নান রসুল জানান, ঝালকাঠি সদর উপজেলার বালিঘোনা গ্রামের আরজু আক্তার গত ৮ নভেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তাকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে মর্মে একটি নালিশী মামলা দায়ের করে । বিচারক ভিকটিমের অভিযোগ ঝালকাঠি থানায় এফআইআর হিসেবে রেকর্ডরে নির্দেশ দেন। ১২ নভেম্বর ঝালকাঠি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯(১) ধারায় এফআইআর রেকর্ড হলে একমাত্র আসামী নাঈমের বাবা আনোয়ার হোসেন ছেলেকে ১৩ নভেম্বর ঝালকাঠি থানায় সোপর্দ করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই নাজমুজ্জামান আসামীকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করেন । আদালত নাঈমের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

রবিবার অবকাশকালীন জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসামীর জামিন শুনানীর সময় আসামী পক্ষ ভিকটিমকে বিবাহের আগ্রহ প্রকাশ করলে এবং নির্যাতিত পক্ষও প্রস্তাবে রাজি হলে বিচারক মো. শহিদুল্লাহ আদালত চত্বরেই ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে বিবাহের নির্দেশ দেন।

আদালত চত্বরে আসামী, ভিকটিম ও উভয়পক্ষের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আদালতে কাগজপত্র জমা দিলে শুনানী শেষে বিশ হাজার টাকা বন্ডে আসামীর জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। বর আসামী নাঈম পেশায় একজন ইলেক্টট্রিশিয়ান এবং কনে আরজু দশম শ্রেণি পর্যন্ত লেখা পড়া করেছে। ২০১৯ সালের প্রথমদিকে তাদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় এবং প্রেম হয় । ঘটনার দিন অর্থাৎ গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাত দশটায় আরজুদের বাড়ির পেছনের বাগানে মোবাইলে ডেকে এনে আরজুকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে নাঈম।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft