গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভার নব-নির্বাচিত পৌরমেয়র গোলাম সরোয়ার প্রধান বিপ্লব বলেছেন, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা। তিন লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ স্বাধীনতা। দীর্ঘ ৯ মাস সংগ্রামের পর নিশ্চিত পরাজয় যেনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তার দোসর আলবদর আল-শামসরা মিলে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর এই দিনে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল। বুদ্ধিজীবি হত্যার ঠিক দুই দিন পড় ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানী বাহিনী আত্নসমর্পন করে এবং বিজয়ের মধ্য দিয়ে স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অদ্ভুদয় ঘটে। পাকিস্তানীরা বাংলাদেশকে মেধা শুন্য করতেই সেদিন বাংলা মায়ের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করেছিল।
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে পলাশবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অভ্যান্তরের বদ্ধ ভুমিতে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়। উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, পলাশবাড়ী প্রেসক্লাব ও মহিলা আওয়ামী লীগ পৃথক পৃথক ভাবে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।
পুস্পমাল্য অর্পন শেষে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুজ্জামান নয়ন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মেয়র আরও বলেন, জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের যারা হত্যা করেছে, যারা বিচার প্রক্রিয়ার বাইরে আছে বা পালাতক রয়েছে তাদের বিচারের রায় কার্যকর করে দেশবাসীকে কলঙ্ক মুক্ত করতে হবে।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব একেএম মোকছেদ চৌধুরী বিদুৎ, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু বক্কর প্রধান, সাধারন সম্পাদক উপাধ্যক্ষ শামিকুল ইসলাম সরকার লিপন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, থানা অফিসার ইনচার্জ মাসুদার রহমান মাসুদ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর রহমান, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রতন, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু নির্মল কুমার মিত্র, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ঝুনু ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শেষে দেশ জাতি ও মুসলিম উম্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পেশ ইমাম হাফেজ মাওঃ মোস্তাফিজার রহমান রাজা।