মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
১০ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৫ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীতে ইউএনও’র গাড়ির ধাক্কায় শিশু গুরুতর আহত, প্রশ্নের মুখে দায়িত্ব ও মানবিকতা সাদুল্লাপুরে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের স্বপ্ন পূরণ গোবিন্দগঞ্জে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র গাইবান্ধায় সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে গাইবান্ধার সদর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে প্রাণখোলা ঈদ আড্ডা ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে সাদুল্লাপুর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান সাংবাদিকতা পেশা কতিপয় ব্যক্তির কারণে বিতর্কিত: তথ্যমন্ত্রী পলাশবাড়ীর ৩ ফিলিং স্টেশনে রেজিস্টার পরিদর্শন, পরিমাপ যাচাই না করায় প্রশ্ন লালমনিরহাট জেলা শহরে বাস-অটো সংঘর্ষে আহত ৮

ভারত থেকে ৬ মাসে তিন কোটি ভ্যাকসিন আনবে সরকার

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

বেক্সিমকো ফার্মার মাধ্যমে ভারতের সিরাম ইন্সটিটিউটের সাথে আগামী ছয় মাসে তিন কোটি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন আমদানিতে চুক্তি করেছে সরকার।

রোববার (১৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেকের উপস্থিতিতে ভ্যাকসিন ক্রয় সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকার ভারতের সিরাম ইন্সটিটিউটের কাছ থেকে আগামী ছয় মাসে (প্রতি মাসে ৫০ লাখ করে) মোট তিন কোটি ভ্যাকসিন আমদানি করবে।

চুক্তিতে সরকারের পক্ষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম ও বেক্সিমকো ফার্মার পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন স্বাক্ষর করেন।

তাদের স্বাক্ষরিত চুক্তিটি রবিবার ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউটের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সেখানে ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট কর্তৃপক্ষ চুক্তিপত্রটিতে স্বাক্ষর করে আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যেই পুনরায় দেশে পাঠিয়ে দেবেন বলে জানানো হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউটের মাধ্যমে সরকার অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রেজেনেকা ভ্যাকসিন নিচ্ছে সরকার। বিভিন্ন দেশের ট্রায়ালে এই ভ্যাকসিন অপেক্ষাকৃত নিরাপদ মনে হয়েছে এবং এই ভ্যাকসিন আমাদের দেশের আবহাওয়া উপযোগী। প্রথম পর্যায়ে তিন কোটি ভ্যাকসিন আমদানি করা হচ্ছে।

ধাপে ধাপে এই ভ্যাকসিন আগামী ছয় মাস দেশে আনা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অ্যাস্ট্রেজেনেকা ভ্যাকসিনের পাশাপাশি আরও কিছু কোম্পানির সাথেও সরকারের আলোচনা চলমান রয়েছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি অ্যাস্ট্রেজেনেকা ভ্যাকসিন দেশে চলে আসবে আশা প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, এর মধ্যে অন্য ভ্যাকসিনগুলোও আমদানি করার কাজি এগিয়ে যাবে।

দ্রুত ভ্যাকসিন ক্রয়ে অনুমোদন দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভ্যাকসিন সংশ্লিষ্টকাজে যুক্ত কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, গত ৫ নভেম্বর বাংলাদেশ, বেক্সিমকো ফার্মা ও ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউটের সাথে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল। ওই সমঝোতা চুক্তির অংশ হিসেবে আজ চুক্তিটি স্বাক্ষর করা হয়েছে।

পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বেলা ১২টায় রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের বলরুমে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় গাইডলাইন সমূহের মোড়ক উন্মোচন করেন এবং হাসপাতালে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা বিষয়ক অবহিতকরণ সভায় যোগ দেন।

সভায় মন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত জীবনের ঝুকি নিয়ে কোভিড মোকাবিলা করেছে। স্বাস্থ্যখাত কোভিডকে ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে বলেই দেশের অর্থনীতি এখন বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় ভালো অবস্থায় রয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft