
রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কমপ্লেক্সের একটি ঘরে আটক থাকা মোফাজ্জল হোসেন (২৬) নামের এক যুবকের লাশ পাওয়া গেছে।
আজ রোববার ভোরে জানালার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় লাশটি ঝুলতে দেখেন দায়িত্বরত গ্রাম পুলিশ। মৃত ব্যাক্তিকে হত্যার অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।
নিহত যুবক পেশায় দিনমজুর ছিলেন। হরিপুর ইউনিয়নের নলপুকুর গ্রামে ১২ দিন আগে বিয়ে করেন তিনি। পারিবারিকভাবেই তার বিয়ে দেওয়া হয়। তার শ্বশুরের নাম রফিকুল ইসলাম। মোফাজ্জলের বাড়ি রাজশাহীর তানোর উপজেলার চান্দুড়িয়া ইউনিয়নের যুগলপুর গ্রামে। তার বাবার নাম তোফাজ্জল হোসেন।
মোবাইল ফোন বন্ধ করে গা-ঢাকা দিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান বজলে রেজবী আল হাসান মুঞ্জিল। মোফাজ্জলের শ্বশুরসহ তার পরিবারের সদস্যরাও পালিয়ে গেছেন।
তবে নিহতের চাচাত ভাই উজ্জ্বল আলী ঘটনাটিকে হত্যা বলে অভিযোগ করে বলেন, মোফাজ্জল ও তার স্ত্রীর কলহ নিয়ে শনিবারও তারা ইউনিয়ন পরিষদে বসেছিলেন। তখন চেয়ারম্যান বলেছিলেন, দেনমোহরের ১ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ভরণপোষণের আরও ১০ হাজার টাকা দিয়ে মোফাজ্জলকে নিয়ে যেতে হবে। রোববারের মধ্যে টাকা না দিলে মোফাজ্জলকে মাদকদ্রব্য দিয়ে থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
রাজশাহীর দামকুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, লাশের সুরতহালের সময় শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাত দেখা যায়নি। তবে তাকে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন স্বজনেরা। তারা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।