1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:১১ অপরাহ্ন
১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৪ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
সাদুল্লাপুরে জামায়াতের বিশাল জনসভা ও গণমিছিল মেধায় অনন্য দৃষ্টান্ত পলাশবাড়ীর মেয়ে মাইশার গাইবান্ধায় জিইউকে-এর উদ্যোগে তিন মাসব্যাপী কারিগরি প্রশিণের উদ্বোধন জামায়াতের নেতাদের ওপর ইচ্ছাকৃত সাইবার আক্রমণের অভিযোগ ‘গভীর ষড়যন্ত্রের’ দায়সারা স্বভাবে আটকে আছে পীরগঞ্জ উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর কাগুজে কাজ, বৈধ কাগজ ছাড়াই চলছে যাবতীয় কার্যক্রম! তারাগঞ্জে জাতীয় ছাত্র সমাজের অর্ধশত নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান সাদুল্যাপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাদুল্লাপুরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে সংবর্ধনা গোবিন্দগঞ্জে ৪২০ রাউন্ড কার্তুজসহ ৬৮টি আগ্নেয় অস্ত্র জমা সব দলকে নিয়ে নির্বাচন করলে রাজনৈতিক সমাধান ও স্থিতিশীলতা আসত-শামীম হায়দার পাটোয়ারী

মারা গেছে কবরস্থানে নড়ে উঠা সেই শিশু

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

দাফনের সময় নড়ে উঠা সেই শিশুটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে মারা গেছে শিশুটি।

ওই শিশুর বাবা ইয়াসিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তার মেয়ে ঢাকা মেডিকেলের এনআইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। মরিয়মকে রায়ের বাজার কবরস্থানে দাফন করা হবে।

গত ১৪ অক্টোবর ছয় মাস ১৬ দিনের অন্তঃসত্ত্বা অসুস্থ স্ত্রী শাহিনুর বেগমকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন বাসচালক ইয়াসিন। তাকে গাইনি বিভাগের ২১২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তখন চিকিৎসকরা জানান, তার প্রেশার অনেক হাই। ডেলিভারি না করালে তার প্রেশার কমবে না। চিকিৎসকদের কথায় সম্মতি দেয়ার পর ওইদিন রাতেই তাকে লেবার রুমে নিয়ে নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করা হয়। ডেলিভারি না হওয়ায় তাকে ১১০ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়।

সেখানে চিকিৎসকরা দুদিন চেষ্টার পর তার আবার ব্যথা শুরু হয়। এরপর ১৯ অক্টোবর ভোর পৌনে ৫টার দিকে তার স্ত্রী এক কন্যাসন্তান প্রসব করেন। তখন চিকিৎসকরা জানান, শিশুটি মৃত অবস্থায় হয়েছে। এরপর হাসপাতালের আয়া মৃত শিশুটিকে প্যাকেটে করে বেডের নিচে রেখে দেন এবং কোথাও নিয়ে দাফন করার জন্য বলেন।

সকাল ৮টার দিকে নবজাতকটির বাবা ইয়াসিন নবজাতককে দাফন করার জন্য আজিমপুর কবরস্থানে নিয়ে যান। সেখানে এক হাজার ৫০০ টাকা সরকারি ফি দিতে না পারায় তাদের পরামর্শে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে নিয়ে যান। সেখানে ৫০০ টাকা ফি ও কিছু বকশিশ দেয়ার পর মৃত নবজাতকটির জন্য কবর খোঁড়া শুরু হয়।

কবর খোঁড়ার শেষপর্যায়ে শিশুর কান্নাকাটির শব্দ শুনতে পান। তিনি আশপাশে কোথাও কিছু না পেয়ে পরে পাশে রাখা নবজাতকটির দিকে খেয়াল করেন। এরপর প্যাকেট খুলে দেখেন শিশুটি নড়াচড়া ও কান্নাকাটি করছে। পরে নবজাতককে দ্রুত আবার ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিষয়টি জানার পর দ্রুত এনআইসিইউ ম্যানেজ করে সেখানে রাখা হয় তাকে। ঘটনার পরপরই বিষয়টি তদন্তের জন্য চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। সেই কমিটিই তাদের তদন্ত প্রতিবেদন ও কিছু সুপারিশ করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে জন্মের পর নবজাতকটির কোনো সাইন অব লাইফ ছিল না। এটি একটি রেয়ার (বিরল) ঘটনা। তবে চিকিৎসকদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি ছিল না। মা ও মেয়ে দুজনকেই বাঁচানোর চেষ্টা ছিল তাদের।’

ঢামেক পরিচালক বলেন, ‘আনফরচুনেটলি এমনটি হয়েছে। তবে এখানে চিকিৎসকদের ব্যর্থতা রয়েছে। যাতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে জন্য প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে। এই ঘটনায় আদালতে রিটও হয়েছে। সেখান থেকে আরও যদি তদন্ত করার বিষয় আসে, তাহলে সেটিও করা হবে। বিশ্বে অনেক দেশেই এমন ঘটনা হয়েছে। এটি একটি ইম্যাচিউরড বেবি ছিল। এমন ঘটনা ইম্যাচিউরড বেবি, সাপেকাটা রোগী, বিদ্যুৎস্পৃষ্টের রোগীর ক্ষেত্রে ঘটে।’

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft