1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
২০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৫ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
অবরোধ শিথিলের পর রাফাহ পুরোপুরি খোলার অপেক্ষায় ফিলিস্তিনিরা তুরস্কে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬ জনের মৃত্যু, আহত ৩০ শবে বরাতে দেশ ও জাতির কল্যাণে প্রার্থনার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা গাইবান্ধা-৩ আসনে এমপি প্রার্থী বাইসাইকেলের কাঁধে ঢেঁকি রেখে একক প্রচারণা গাইবান্ধায় ধানের শীষের সমর্থনে দলিল লেখক সমিতির বিশাল মিছিল পলাশবাড়ীতে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে বেকার যুবক-যুবতীদের চাকুরী মেলা উদ্বোধন পলাশবাড়ীর কালীবাড়ি বাজার মুরগি হাটিতে সহিংসতা, আহত ব্যবসায়ী রংপুর মেডিকেলে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন

গাইবান্ধার আদালতে হত্যা মামলায় সহোদর তিন ভাইয়ের মৃত্যুদন্ডাদেশ

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামে একটি হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদন্ডের রায় দেয়া হয়েছে। মামলার অপর চার আসামির মধ্যে আবুল হোসেন নামে একজনের মুত্যু হয়েছে। আর ৩জন নারী আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।
৮ অক্টোবার (বৃহস্পতিবার) গাইবান্ধা সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ দিলীপ কুমার ভৌমিক এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলো হাফিজার রহমান, হযরত আলী ও আজিজল হোসেন। তারা সহোদর ভাই। মৃত্যুদন্ডদের মধ্যে হাফিজার রহমান পলাতক রয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আদালতে দু’জন উপস্থিত ছিল।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামের হযরত আলীর সাথে একই গ্রামের আব্দুল জলিলের জমি-জমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে হযরত আলী আমন ধান চাষ করে। আদালতে মামলার রায় পেয়ে ২০১৬ সালের ১২ নভেম্বর আব্দুল জলিল তার লোকজন নিয়ে ধান কাটতে যায়। ধান কাটার বিষয়টি আগে ভাগে জানতে পেরে হযরত আলী গোপনে জমির পার্শ্ববর্তী তার রাইচ মিল থেকে বিদ্যুতের ছেঁড়া তার পেতে সম্পুর্ণ জমি ঘিরে রাখে। ওইদিন সকালে আব্দুল জলিলের আত্মীয় তসলিম উদ্দিন নারী-পুরুষ শ্রমিক নিয়ে ওই জমিতে ধান কাটতে নামলে প্রথমে তসলিম উদ্দিন বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার চাচাতো বোন মর্জিনা খাতুন বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। এতে আরো ৪জন শ্রমিক গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনায় নিহত তসলিম উদ্দিনের বাবা মফিজল হক বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় ওইদিন রাতে ৭জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। সে সময় পুলিশ আবুল হোসেনের ছেলে হযরত আলী, হাফিজার রহমান, আজিজল হক, মৃত বজর আলীর ছেলে আবুল হোসেন, হযরত আলীর স্ত্রী গোলেনুর, আবুল হোসেনের স্ত্রী জরিনা বেগম, মোজাহার আলীর স্ত্রী আকলিমা বেগম ও হাবিজার রহমানের স্ত্রী মোর্শেদা আক্তারকে গ্রেফতার করে।
গাইবান্ধা জেলা জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, এই নৃশংস হত্যাকান্ডে অপরাধীদের অপরাধ সন্দেহাতীত প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক ৩ আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদন্ডের এই রায় ঘোষণা করেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft