
সাভারে তিতাস গ্যাসের অবৈধ গ্যাস সংযোগের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরও একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি রয়েছেন।
নিহতরা হচ্ছেন- ফরিদ ও হাবিব।
গতকাল শুক্রবার রাতে তারা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার আগে গত বুধবার হেমায়েতপুরের মোল্লাপাড়ার একটি বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণে তারা আহত হন। হতাহতরা সবাই টাইলস মিস্ত্রি।
দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে সাভার মডেল থানার ট্যানারি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন,হতাহতদের সবাই একটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন। বুধবার ভোরে কাজে যাওয়ার আগে খাবার তৈরি করার জন্য চুলা জ্বালাতে গেলে হঠাৎ করেই বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ হন তারা। বাড়ির কক্ষ থেকে ভেসে আসা গ্যাসের গন্ধে স্থানীয়রা গ্যাস লিকেজের বিষয়টি নিশ্চিত হন। তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় দুজন।
প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, ভোরে রান্না করার সময় চুলায় আগুন জ্বালাতে গেলে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ থেকে আগুন ধরে তারা দগ্ধ হন। গ্যাসের সংযোগটি অবৈধ কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
অফিস বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। গত এক বছরে সাভার ও আশুলিয়ায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে মারা গেছেন ১৮ জন।