
দিনাজপুরে ঘোড়াঘাট উপজেলার ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন ৪ জনকে পৃথক পৃথকভাবে আটক করেছে, র্যাব ও পুলিশ।
আজ শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টায় সন্দেহভাজন প্রধান আসামী আসাদুল হক (৩২)কে র্যাব আটক করে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি সীমান্তের চুড়িপট্রি এলাকায়। তার বাড়ি ঘোড়ঘাট উপজেলার ৪ নং ঘোড়াঘাট ইউপি’র সাগরপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আমজাদ হোসেন।
এর আগে ঘোড়াঘাট থেকে জাহাঙ্গীর (৩৬) ও মাসুদ রানা (৩৪) নামে আরও দু’জনকে আটক করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। জাহাঙ্গীর ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক এবং মাসুদ ঘোড়াঘাট সিংড়া ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা। ঘোড়াঘাট কাছিগাড়ি গ্রামের আবুল কালামের ছেলে জাহাঙ্গীর এবং মাসুদ ঘোড়াঘাট উপজেলার দক্ষিণ দেবিপুর গ্রামের আদু মিয়ার ছেলে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দিনাজপুর ডিবি গোয়েন্দা পুলিশ ইউএনও’র বাসভবনের নৈশ্য প্রহরী পলাশ (৪০)কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।
ইউএনও ওয়াহিদা খানমের উপর হামলার ঘটনায় এপর্যন্ত আটক হয়েছে, ৪জন। তবে, এ বিষয়ে প্রশাসনের কেউ সঠিকভাবে মুখ খুলছেন না।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম এর আগে আসাদুল ও জাহাঙ্গীরকে আটক করার কথা স্বীকার করলেও এখন এ বিষয়ে আর বেশি কিছু বলতে চাইছেন না।
এদিকে ইউএনও ওয়াহিদা খানম এর উপর হামলা ঘটনায় তার ভাই ফরিদ শেখ ঘোড়াঘাট থানায় গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টায় একটি মামলা করেছেন। তবে.মামলায় কারো নাম উল্লেখ নেই বলে জানান, ওসি আমিরুল ইসলাম।
অন্যদিকে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নৈশ্যপ্রহরী পলাশকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩রা সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ইমাম আবু জাফর।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোয়েন্দা বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঘোড়াঘাট ইউএনওর বাসভবনের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলায় অংশ নেয় দু’জন। এদের মধ্যে একজন ছিল মুখোশ ও অন্যজন পিপিই (পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট) পরা। যাতে তাদের চেনা না যায়। পাতলা হালকা গরনের দু’জন রাতে তারা এক এক করে বাড়িতে প্রবেশ করে এবং ঘটনার পর একই সঙ্গে বের হয়ে যায়।