1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
২২শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৭ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
বেইমানদের ১২ তারিখ ‘লাল কার্ড’ দিয়ে বিদায় করে দিবে—– লালমনিরহাটে জামায়াত আমীর নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা : ইসি মাছউদ নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পলাশবাড়ীতে আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী ক্যাম্পেইন অবাধ নির্বাচন ও সুশাসনের অঙ্গীকারে গাইবান্ধায় এক মঞ্চে প্রার্থীরা গোবিন্দগঞ্জে আলু চাষে আধুনিক প্রযুক্তি শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ গাইবান্ধায় রেলওয়ের লোহার বাউন্ডারী কেটেছে দুর্বৃত্তরা : নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন পীরগঞ্জে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি,ন্যায্য মজুরির দাবিতে প্রশাসনিক প্রাঙ্গণে উচ্চকণ্ঠ পলাশবাড়ীতে চ্যানেল এস এর বর্ষপূর্তি পালিত

চীনে মসজিদ ধ্বংস করে টয়লেট নির্মান

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

চীনের শিনজিয়াং প্রদেশের একটি মসজিদ ধ্বংস করে সেখানে পাবলিক টয়লেট নির্মান করছে দেশটির সরকার। খবর দিয়েছে ইয়াহু নিউজ।

খবরে জানানো হয়েছে, ২০১৬ সালে ওই অঞ্চলের তিনটির মধ্যে দুইটি মসজিদই ভেঙ্গে ফেলে চীনা সরকার। রেডিও ফ্রি এশিয়ায় দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, সেখানে এরইমধ্যে পাবলিক টয়লেট নির্মান করা হয়েছে। এখনো সেটি খুলে দেয়া হয়নি তবে নির্মান সম্পন্ন হয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্ব মিডিয়ায় উইঘুরদের ওপর চীনের দমনপীড়ণ বেশ আলোচিত হয়েছে। এতে উঠে এসেছে কীভাবে উইঘুরদের উদ্যোম নষ্ট করতে তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে চীন। মসজিদ ধ্বংসও তার একটি অংশ।

এছাড়া, ২০১৭ সাল থেকে উইঘুরদের বন্দীশিবিরের কথাও গণমাধ্যমে প্রচার হতে শুরু করে। চীন এ দাবি অস্বীকার করে এসব শিবিরকে পুনশিক্ষা কেন্দ্র বলে দাবি করেছে। তবে বিভিন্ন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উইঘুরদের মগজধোলাইর বিষয়টি উঠে আসে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছে, সেখানকার আরেকটি মসজিদকে মদ বিক্রির দোকানে পরিণত করেছে চীন সরকার। ইসলাম ধর্মবিশ্বাসীরা মদকে নিষিদ্ধ মনে করে। তাই চীন সরকারের এ ধরণের আচরণকে সরাসরি উইঘুরদের উদ্যোম নষ্টের চেষ্টা মনে করা হয়। সেখানে এখন তেরেস মসজিদ নামের একটি মাত্র মসজিদ চালু রয়েছে। এর আগে চীনের পুলিশ উইঘুর নারীদের জন্য পোশাক নির্ধারণ করে দিয়েছে। ফলে সেখানে এরইমধ্যে বোরকা পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft