1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
২২শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৭ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
বেইমানদের ১২ তারিখ ‘লাল কার্ড’ দিয়ে বিদায় করে দিবে—– লালমনিরহাটে জামায়াত আমীর নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা : ইসি মাছউদ নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পলাশবাড়ীতে আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী ক্যাম্পেইন অবাধ নির্বাচন ও সুশাসনের অঙ্গীকারে গাইবান্ধায় এক মঞ্চে প্রার্থীরা গোবিন্দগঞ্জে আলু চাষে আধুনিক প্রযুক্তি শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরণ গাইবান্ধায় রেলওয়ের লোহার বাউন্ডারী কেটেছে দুর্বৃত্তরা : নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন পীরগঞ্জে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি,ন্যায্য মজুরির দাবিতে প্রশাসনিক প্রাঙ্গণে উচ্চকণ্ঠ পলাশবাড়ীতে চ্যানেল এস এর বর্ষপূর্তি পালিত

যশোরে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে সংঘর্ষ ৩ বালক নিহত

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি একেএম নাহিদুল ইসলাম বলেছেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে মর্মান্তিক ও অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে। মৃত্য পথযাত্রীরা কেউ মিথ্য কথা বলে না। হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের কথার সত্যতা ও যৌক্তিকতা রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে যশোর পুলেরহাট শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের (বালক) ভিতর থেকে বের হয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা যারা অপরাধ নিয়ে কাজ করি, তারা ঘটনার প্রায় ছয় ঘণ্টা পরে বিষয়টি অবহিত হয়েছি। যে কারণে মূল ঘটনা জানা জটিল ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি আরো বলেন, মামলা হবে। সেই মামলার বাদী যে কেউ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থরা বা তাদের স্বজন অথবা তৃতীয় কোনও পক্ষ; সর্বশেষ কাউকে না পাওয়া গেলে পুলিশ তো রয়েছে। আজকের (বৃহস্পতিবারের) ঘটনা একপক্ষীয় বলেও জানান অতিরিক্ত ডিআইজি।

তবে সংঘর্ষে নয়, এক পক্ষীয় মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। কেন্দ্রের কর্মকর্তারা তাদের দফায় দফায় পিটিয়েছে। সে কারণে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন বন্দিরা।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসাধীন বন্দিরা জানায়, গত ৩ আগস্ট কেন্দ্রের আনসার সদস্য নূর ইসলামের পক্ষে কয়েকজন বন্দি মাদক সেবন করে চুয়াডাঙ্গার পাভেল নামে এক বন্দিকে মারপিট করে। এ নিয়ে সে অফিসে জানালে গালিগালাজ করে তাকে ফের মারপিট করে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদেরকে অফিসে ডাকা হয় এবং বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়। ঘটনার বিস্তারিত জানানো পর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের সহকারী তত্ত্বাবধায়ক মাসুম বিল্লাহ, প্রবেশ অফিসার মুশফিকসহ অন্যান্যরা বন্দিদের মারপিট করে। দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত দফায় দফায় তাদেরকে মারপিট করা হয়। পরে তাদের ঠিকমত চিকিৎসা করানো হয়না। আহতরা জানায়, মারধর করে তাদের এখানে সেখানে ফেলে রাখা হয়। পরে একজন করে মারা গেলে তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর রাত ৮ টা থেকে ১১টার মধ্যে চার-দফায় আহতদের হাসপাতালে আনা হয়। বন্দি রাসেলের আগামি মাসে জামিনে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল দাবি করে কিশোররা জানায়, বেদম মারপিট আর চিকিৎসা না পেয়ে রাসেল মারা গেছে।

রাত সাড়ে ১২টার দিকে উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে বের হন জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান। এসময় তিনি বলেন, কি কারণে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে তা তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়। আমরা তদন্ত কমিটি করে দেব। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

প্রসঙ্গত. বৃহস্পতিবার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের মারপিটের ঘটনায় ৩ বন্দি কিশোর নিহত হয়। এসময় আহত হয়েছে অন্তত ১৭ জন । আহতদের পুলিশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

ঘটনার পরপরই শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রবেশন অফিসার মুশফিক আহমেদ দাবি করেন, সম্প্রতি কেন্দ্রে বন্দি কিশোরদের দুই গ্রুপের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জেরে বৃহস্পতিবার বিকেলে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। রড ও লাঠির আঘাতে মারাত্মক জখম হয় ১৭ কিশোর। প্রাথমিকভাবে উন্নয়ন কেন্দ্রে তাদের চিকিৎসা দেয়ার চেষ্টা চলে। তবে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় আশঙ্কাজনক একে একে আহতদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। এর মধ্যে নাইম, পারভেজ ও রাসেলকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

জেনারেল হাসপাতালের ডা. অমিয় দাশ বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তারা মারা যায়। কি কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে, ময়না তদন্ত রিপোর্ট ছাড়া বলা যাবে না।

নিহতরা হলো, খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা পশ্চিম সেনপাড়ার রোকা মিয়ার ছেলে পারভেজ হাসান রাব্বি (১৮), রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ১১৮৫৫৩, বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার মহিপুর গ্রামের আলহাজ নুরুল ইসলাম নুরুর ছেলে রাসেল ওরফে সুজন (১৮) রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ৭৫২৪ এবং একই জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার তালিপপুর পূর্বপাড়ার নানু প্রামাণিকের ছেলে নাঈম হোসেন (১৭), রেজিস্টেশন নম্বর ১১৯০৭। নাঈম হোসেন ধর্ষণ এবং রাব্বি হত্যা মামলার আসামি ছিল।

বালকদের জন্য দেশে দুটি কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র আছে। যার একটি গাজীপুরের টঙ্গিতে, অন্যটি যশোর শহরতলির পুলেরহাটে। এ কেন্দ্র মোট বন্দির সংখ্যা ২৮০ জন। যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে প্রায়ই অঘটন ঘটে। লাশ উদ্ধার, মারপিটের ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বে অবহেলা, দুর্নীতির কারণে প্রতিষ্ঠানটিতে অনিয়ম জেঁকে বসেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর আগে একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটি এই তথ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে চালানোর জন্য একগুচ্ছ সুপারিশ করেছিল। কিন্তু অবস্থার যে উন্নতি হয়নি; বরং অবনতি হয়েছে।

এদিকে রাতেই শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft