1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
২৩শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৮ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় র‌্যাবের অভিযানে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার গাইবান্ধা-৩ আসনে ১৪৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৬টি ঝুঁকিপূর্ণ সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই দুর্নীতি,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজি দূর করা সম্ভব- এটিএম আজহারুল ইসলাম পীরগঞ্জ পৌরশহরের ১ নং ওয়ার্ডে রাস্তা দখল করে নির্মাণকাজ আইন লঙ্ঘন, জনভোগান্তি ও নীরব প্রশাসন গাইবান্ধায় জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালন ফুলছড়ির দুর্গম চরে সেনাবাহিনীর নির্বাচনী মহড়া জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় অভিযুক্তের জামিন সকল ধর্মের মানুষকে ধারণ করে বাংলাদেশ গড়তে চাই: রাজশাহীতে জামায়াত আমির লাশ পোড়ানোর মামলায় ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড ও সাত আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড একুশে পদক পাচ্ছেন ৯ ব্যক্তি ও একটি সংগীত দল

সাগরে বড় সাইজের প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে

  • আপডেট হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২০
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

চলতি ইলিশের মৌসুমে জেলেদের জালে বেশ বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়ছে। বরগুনার আড়তদার, ট্রলার মালিক ও ট্রলার মালিক সমিতিকে সাগরে মাছ ধরারত জেলেরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সুখবর জানাচ্ছেন। সাগরে ঝড়-বাদল যদি না থাকে তাহলে এ বছর ইলিশ ধরার রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।

জেলেরা জানান, প্রতিটি ট্রলারে ৮০০ গ্রাম থেকে পৌনে দুই কেজি ওজনের প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ও স্থানীয় বাজারে বড় সাইজের ইলিশ মাছ পাওয়া যাবে।

বরগুনা জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, দেশের উৎপাদিত মোট ইলিশের ১৩% বরগুনা জেলায় আহরণ করা হয়। গত অর্থবছরে এ জেলায় প্রায় ১ লাখ ২০ টন ইলিশের আহরণ ছিলো।

বরগুনার পাথরঘাটায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইলিশ মৎস্য বন্দর এবং এখানে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রটিও (বিএফডিসি) অবস্থিত। ইলিশ মৌসুমে এ অবতরণ কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন কমপক্ষে দুইশ’ টন রুপালি ইলিশ বেচা-কেনা হয়। গত দুই দিনে বিএফডিসি পাইকারি মাছ বাজারে যে ট্রলারগুলো এসেছে সেগুলোর জেলেরা ৮০০ গ্রাম থেকে পৌনে দুই কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি করেছে। তবে দামটা ছিল খুব চড়া। এক কেজি ওজনের ওপরের ইলিশের মণ ছিল ৪৬ হাজার টাকা এবং এক কেজি ওজনের নিচের ইলিশের মণ ৩৪ থেকে ৩৫ হাজার টাকা।

প্রতিটি ট্রলারই ১২ থেকে ১৪ লাখ টাকার ইলিশ বিক্রি করেছে জানালেন, পাথরঘাটা বিএফডিসি পাইকারি মাছ বাজারের মার্কেটিং অফিসার মো. অলিউল্লাহ।

তিনি আরও জানান, গত এক সপ্তাহে এই বাজারে নদী ও সাগরের ৯১ হাজার ৭২৪ মণ ইলিশ মাছ বিক্রি হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। সাগরে ঝড়-বাদল যদি না থাকে তাহলে এ বছর ইলিশের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।

নদীগুলোতে কম সংখ্যক হলেও বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়ছে। ইলিশের আকার বড় হওয়ায় স্থানীয় বাজারে দামও খুব চড়া। এ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার দ’শ টাকা দরে আর তার চেয়ে একটু বেশি ওজন হলেই তা বেড়ে দেড় হাজার টাকায় উঠে যাচ্ছে বলে ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান। পাথরঘাটায় অতি সম্প্রতি ২ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের একটি মাছ বেচাকেনা হয়েছে পাঁচ হাজার ৯০০ টাকায়।

পাথরঘাটা বিএফডিসি পাইকারি মৎস্য বাজারের বাবুরাম কর্মকার জানান, এ বছর ইলিশ মৌসুমের প্রথমেই ইলিশ মাছ শিকারের ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা পালন করেছেন জেলেরা। নিষেধাজ্ঞা শেষে গত ২৩ জুলাই জেলেরা সাগরে গিয়ে ইলিশ মাছ ধরা শুরু করেন। প্রতিটি ট্রলারে কমবেশি সবারই জালে ইলিশ ধরা পড়েছে। বিএফডিসি পাইকারি মাছ বাজারে ৯৯ জন আড়তদার। সবাই ট্রলার মালিকদের কমবেশি দাদন দিয়ে ট্রলার সাগরে পাঠিয়েছেন।

পাথরঘাটা বিএফডিসি আড়তদার সমিতির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মো. মারুফ হোসেন জানান, সাগরে ৬৫ দিন ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ থাকায় মাছের সাইজ বড় হয়ে গেছে এবং মাছগুলো কিনারের দিকে এসেছে। এখন মাছের যে চড়া দাম তা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকারি নিষেধাজ্ঞায় প্রতিবছর ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ শিকার বন্ধ থাকে। আবার ৩০ জুন পর্যন্ত আট মাসের বেশি সময় ধরে জাটকা ধরা, বিক্রি, পরিবহণ নিষিদ্ধ থাকে। এরমধ্যে গতবছর থেকে সাগরে ২০ মে হতে ২৩ জুলাই পর্যন্ত সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ২৪ জুলাই থেকে ১১ অক্টোবর তিন মাস এবং ৩ নভেম্বর থেকে ১৯ মে পর্যন্ত জেলেরা ইলিশ ধরতে পারবে। সরকারি বিধি নিষেধের সাথে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে লকডাউনে কর্মবিরতি এবং ফলশ্রুতিতে দূষণমুক্ত হয়েছে নদীর পানি। প্রতিকূল অবস্থায় বরাবরের মতো নদীতে জেলেদের জালও পড়েনি খুব একটা। সেই সাথে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে নদীগুলো থেকেছে কানায় কানায় পূর্ণ। জেলেরা আগের চেয়ে অনেক সচেতন হয়েছে। সব মিলিয়ে এ মৌসুমে সার্বিক পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুকূলে থাকবে; ব্যাপক ইলিশ আহরণে বলে ইলিশের জেলা বরগুনার জেলে, ব্যবসায়ী, সাধারন ক্রেতা, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা আশা করছেন।

বরগুনা জেলা মৎস্য বিভাগের সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহাবুব আলম জানান, মৌসুমি বায়ু সময়মতো সক্রিয় হওয়ায় এবার সার্বিক আবহাওয়া ইলিশের অনুকূলে।

বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক ও মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, এবছর নদ-নদীর পানি স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়েছে। ইলিশ চলাচলের পথও সুগম ও সাবলীল। নদীগুলোতে ইলিশ আগমনের পরিমাণও অনেক বেড়েছে। তাই এ ইলিশ মৌসুমে প্রচুর ইলিশ প্রাপ্তিসহ ভালো বাণিজ্যেরও আশা করছি।

বরগুনার জেলা চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, অনুকুল পরিবেশ-প্রতিবেশ, প্রাকৃতিক বৈরীতা ও সুবিধা, সরকারি বিধি-নিষেধ, করোনাকাল এবং সর্বোপরি জেলেদের সচেতনতা মিলিয়েই প্রচুর ইলিশ আহরণের সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে। বেকার সময়ে সরকার যেভাবে জেলেদের সহায়তা দিয়ে আসছে সে কারনে জেলেদের মধ্যে অবৈধ মাছ শিকারের প্রবনতা একেবারেই কমে এসেছে। ইলিশের বাম্পার উৎপাদনের আশায় রয়েছি। বাসস

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft