
করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় দেশের বিভিন্ন এলাকাকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন বা লাল, হলুদ ও সবুজ – এই তিন ভাগে ভাগ করে জোনভিত্তিক লকডাউন ঘোষণা করা হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের করোনা বিষয়ক ওয়েবসাইটে এই তথ্য দেয়ার পরেই তুলে নেয়া হয়।
এবিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানালেন, জোনভিত্তিক লকডাউন করা নিয়ে কেবিনেটে কোন আলোচনা বা নির্দেশনা দেয়া হয়নি।
আজ সোমবার (৮ জুন) সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান। তবে এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের রবিবার (০৭ জুন) নির্দেশনা দিয়েছেন। এটি করলে জনগণ আরও সতর্ক হবেন বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, রবিবার (৭ জুন) প্রাথমিকভাবে ৫০টি জেলা পুরোপুরি ও ২৩টি জেলাকে আংশিক লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এ সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হয় স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের করোনা বিষয়ক ওয়েবসাইটে। পরে কিছু তথ্য প্রদান করা হলেও পরবর্তীতে তার অনুমোদন না থাকায় উঠিয়ে নেয় হয়।
এ সম্পর্কে বলা হয়, লাকডাউন কবে কখন শুরু হবে সেটি নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। www.corona.gov.bd শীর্ষক একটি ওয়েবসাইটে ঢাকার বিভিন্ন স্থান এবং বিভিন্ন জেলা লকডাউনের যে তথ্য দেয়া হয়েছিল, ওয়েবসাইট থেকে সে তথ্য ইতিমধ্যে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, শনিবার এ সংক্রান্ত একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পরীক্ষামূলক ভাবে ঢাকার দুটি স্থান এবং দেশের তিনটি জেলা লকডাউন করার প্রস্তাবনা দেয়া হয়। তবে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত সেই প্রস্তাবনা অনুমোদিত হয়নি। তাই লকডাউন কবে কখন শুরু হবে সেটি নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। www.corona.gov.bd শীর্ষক একটি ওয়েবসাইটে ঢাকার বিভিন্ন স্থান এবং বিভিন্ন জেলা লকডাউনের যে তথ্য দেয়া হয়েছিল, সে তথ্য ইতোমধ্যে সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।