1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন
২৬শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২১শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
উত্তরবঙ্গের মাঠে নতুন কণ্ঠস্বর,প্রভাত সমীর ও পীরগঞ্জের মানুষের প্রত্যাশা তারাগঞ্জের ইকরচালী ইউপি চেয়ারম্যান মো: ইদ্রিস আলী গ্রেপ্তার ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান — অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম সাঘাটায় বিএনপির নির্বাচনী অফিসের সামনে ককটেল উদ্ধার : জনমনে আতঙ্ক ভোটাধিকার আন্দোলনে কারানির্যাতনের স্মৃতি তুলে ধরে পলাশবাড়ীতে ধানের শীষের পক্ষে সহধর্মীনিদের গণসংযোগ উন্নয়ন ও নিরাপদ সমাজ গঠনের অঙ্গীকার: পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুরে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা সংস্কার উদ্যোগ নিয়ে সরকারের ‘রিফর্ম বুক’ প্রকাশ সংসদ নির্বাচন: আজ থেকে মাঠে সেনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী “জুতা সেলাই থেকে সংসদের স্বপ্ন” গাইবান্ধা-৫ আসনে কাস্তে প্রতীকে সিপিবি প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রবি দাস পলাশবাড়ীতে ইউনিক কিন্ডারগার্টেন এন্ড হাইস্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

সুন্দরগঞ্জে অসময়ে তিস্তায় দেখা দিয়েছে ভাঙন : বসতবাড়ি ও আবাদি জমি যাচ্ছে নদীগর্ভে

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ২ মে, ২০২০
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে
থামেনি তিস্তার ভাঙন। অসময়ে অব্যাহত ভাঙনে উঠতি ফসলসহ বসতবাড়ি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। টানা ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে চরাঞ্চলের পরিবারগুলো। ভাঙনে গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর পুটিমারী গ্রামে শতাধিক একর ফসলি জমি ও বসতবাড়ি নদীগভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে হাজারও একর ফসলি জমি।
একদিকে করোনা ভাইরাস অন্যদিকে রমজান মাসে ভাঙনের বেসামাল হয়ে গেছে তিস্তা পাড়ের মানুষজন। মানবেতর জীবনযাপন করছে ভাঙন কবলিত পরিবারগুলো। বিশেষ করে কাপাসিয়া ও শ্রীপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত রাক্ষুসি তিস্তা এখন মরায় পরিনত হয়েছে। তিস্তার বুক জুড়ে এখন ধু-ধু বালুচর। পলি জমে তিস্তার মুলনদী একাধিক শাখায় পরিনত হয়েছে। পানি কমে যাওয়ায় ওইসব শাখা নদীতে তীব্র স্রোত দেখা দিয়েছে। উজানের ভাঙনে তিস্তার বালু চরের ফসল ও বসতবাড়ি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। বর্তমানে তিস্তার চরাঞ্চলে বেগুন, মরিচ, ভুট্টা, কুমড়া, তোষাপাটসহ নানাবিধ ফসলের সমাহার আবাদ হয়েছে। কিন্তু সর্বনাশা তিস্তা সেসব ফসল ঘরে তুলতে দিচ্ছে না।

কথা হয় শ্রীপুর ইউনিয়নের পুটিমারী গ্রামের ফরমান আলীর সাথে। তিনি বলেন, তিস্তার ভাঙনে চরাঞ্চলবাসি দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ সময় নদী ভাঙার কথা নয়। অথচ দীর্ঘদিন থেকে দফায় দফায় নদী ভাঙন চলছে। যার কারনে শ্রীপুর ইউনিয়নের প্রায় হাজারও বিঘা ফসলি জমি নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। চরের মানুষ তরিতরকারির আবাদ করে ৬ মাস সংসার চালায়। কিন্তু এ বছর নদী ভাঙন অব্যাহত থাকায় কৃষকরা মাথায় হাত দিয়ে বসেছে। তিনি আরও বলেন, তার এক বিঘা জমির তোষাপাট ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এছাড়া এক বিঘা জমির বেগুন ক্ষেতের প্রায় বেশিভাগ নদীতে বিলিন হওয়ার পথে।

শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম জানান, ‘নদী ড্রেজিং এবং খনন করা ছাড়া নদীভাঙনরোধ করা কোনক্রমে সম্ভব নয়। কারন দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। নদী ভাঙন ঠেকাতে হলে স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী লুতফুল হাসান জানান, নদী ভাঙনের বিষয়টি তিনি জানেন।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-পরিচালক মোখলেছুর রহমান জানান, নদীভাঙনরোধ একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। তবে নদী সংরক্ষণের ব্যাপারে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft