
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রান্নাঘর থেকে দুই সন্তানের জননী গৃহবধূ আইনুন্নাহার মুন্নীর (৩২) গলায় ওড়না পেচানো ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মুন্নি আত্মহত্যা করেছে না তাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে এ নিয়ে স্থানীয় সচেতন ও জনমনে নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ১৭ এপ্রিল শুক্রবার ভোররাতে পলাশবাড়ী পৌর এলাকার ছোট শিমুলতলা গ্রামে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও থানা সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য দিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার রাতে গৃহবধূ মুন্নি তার দুই ছেলে সন্তান ও স্বামীসহ শয়ন ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন।
ভোররাত ৬ টার দিকে গৃহবধূ মুন্নি ও স্বামী মাহমুদুল ইসলাম দম্পতির ২ বছর বয়সি ছোট ছেলে ঘুম থেকে জেগে উঠে পাশে তার মাকে দেখতে না পেয়ে কান্না- কাটি শুরু করে। গৃহস্বামী কীটনাশক ব্যবসায়ি মাহমুদুল প্রথমতঃ শয়ন ঘরের এদিক-সেদিক মুন্নিকে খুঁজতে থাকেন। কিন্তু কোন সাড়াশব্দসহ ঘরে না দেখতে না পেয়ে একপর্যায় পাশে রান্না ঘরে গিয়ে দেখেন ভিতর থেকে দরজা বদ্ধ। একাধিকবার ডাকাডাকি করেও কোন প্রতিত্তোর না পেয়ে প্রতিবেশীদের হাঁকডাক করে তাদের সাহায্যে দরজা ভেঙ্গে রান্নাঘরে ঢুকেন। এসময় মুন্নীকে রান্নাঘরের তীরের সাথে ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি থানায় অবগত করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মুন্নির মরদেহ উদ্ধার করে।
থানা অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমান জানান, মুন্নি নিহতের ঘটনায় কোন অভিযোগ না থাকায় প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বামী ও পারিবারের নিকট লাশ হস্তান্তর করা হয়। পরে পারিবারের স্বজনরা মুন্নির মরদেহের দাফন সম্পন্ন করেন। এদিকে মুন্নি আত্মহত্যা