
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে হোসেনপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইদুল ইসলাম (৫০) কে জামায়াত-শিবির অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেছে। বর্তমানে সাইদুল ইসলাম পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছ।
জানা যায়, উপজেলার ২নং হোসেনপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইদুল ইসলাম গতকাল ২১মার্চ অনুুষ্ঠিত গাইবান্ধা-৩ আসনের উপ- নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতির বাসায় দেখা করার জন্য ২২ মার্চ রবিবার বিকেল ৪টায় দেখা করার জন্য রওনা দেন। পথিমধ্যে পৌরশহরের হিজলগাড়ী এলাকার বকুর মোড় নামক স্থানে আব্দুল খালেক মিয়ার দোকানে চা খাওয়ার জন্য বসলে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডার ও বিস্ফোরক মামলার আসামী আশরাফুল ইসলাম (৩৫), মামুন মিয়া (৩০) পাপুল মিয়া (২৫) রুছেল মন্ডল (৩৫), মিঠু মন্ডল (৪০) সহ আরও ৪/৫ জন পরিকল্পিত ভাবে লাঠ-সোডা, লোহার পাইপ-রড, ছোরা, চাইনিস কুড়াল ও দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে সর্জ্জিত হয়ে চায়ের দোকান চারপাশ থেকে ঘিরিয়া ধরে ১নং আসামী আশরাফুল ইসলামের হুকুম দেন শালাকে আওয়ামী লীগ করা বুঝাইয়া দাও। এই হুকুম পাওয়ার পর ২নং আসামী মামুন মন্ডল ও ৫নং আসামী মিঠু মন্ডল হাতে থাকা লোহার পাইপ দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে এলোপাথাড়ীভাবে মারডাং করে থেতলানো, ফুলা ও বেদনাদায়ক জখম করে। পরবর্তীতে ৩নং আসামী মামুন মিয়া ও ৪নং আসামী রুছেল মন্ডল আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে চাইনিস কুড়াল দ্বারা বাম পায়ের মালইয়ের উপর পরপর কয়েকটি স্বজোরে চোট মারিয়া গুরুতর হাড়াকাটা রক্তাক্ত জখম করে পাটের রশি দিয়ে গলায় প্যাচ লাগাইয়া শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাকালে আমার গোংরানির শব্দে আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে আগাইয়া আসলে আসামীরা পকেটে থাকা ঘরের টিন ক্রয়ের ৩৬,৫০০ হাজার টাকা নিয়ে চলে যায়। চলে যাওয়ার সময় পার্শ্বেই ফরিদুল ইসলামের বসতবাড়িতে ঢুকে ২টি টিনসেড ঘরের বেড়াটাটি ভাঙচুর করিয়া ২০,০০০ টাকা ক্ষতিসাধন করে খুন জখমের ভয় দেখিয়া চলে যায়। বর্তমানে উক্ত সাইদুল ইসলাম পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।