
আ.লীগের প্রচার সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বলেছেন ডিসি হোন আর যেই হোন, আইন না মানলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কারো কোনো অপরাধ থাকলে তার বিচারেরও নিয়মনীতি রয়েছে।
কুড়িগ্রামে সাংবাদিক আরিফকে গ্রেফতার ও শাস্তিপ্রদান প্রক্রিয়া বিধিসম্মত হয়নি জানিয়ে আজ রোববার বিকেলে ঢাকার আগারগাঁওয়ে জাতীয় বেতার ভবনে বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।
বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক হোসনে আরা তালুকদার, সংবাদ ও অনুষ্ঠান শাখার উপমহাপরিচালকদ্বয়, পরিচালকবৃন্দসহ সকল পর্যায়ের কর্মচারীবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
আইন মেনে কাজ করা উচিত মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কারো কোনো অপরাধ থাকলে তার বিচারেরও নিয়মনীতি রয়েছে, কিন্তু এক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়েছে বলে আমি মনে করি না। এ বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি যদি আইন বহির্ভূতভাবে কোনো কাজ করে থাকেন, সরকার তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। যারা এর সঙ্গে জড়িত, তারাও এর দায় এড়াতে পারেন না।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এটি বিধিসম্মত হয়নি। আমরা যতদূর দেখে আসছি, মোবাইল কোর্ট ঘটনাস্থলেই বসাতে হয়। একজনকে ধরে নিয়ে গিয়ে অন্যত্র মোবাইল কোর্ট বসানো কোনোভাবেই বিধিসম্মত নয় এবং এটা যেভাবে ঘটানো হয়েছে, তা সমর্থনযোগ্য নয়।
“এটর্নি জেনারেল ইতোমধ্যেই তার বক্তব্যে এভাবে মধ্যরাতে অন্যত্র কোর্ট বসানো যায় না বলে মতামত ব্যক্ত করেছেন, যোগ করেন হাছান মাহমুদ।
অপর একজন সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজল নিঁখোজ রয়েছেন বলে প্রকাশিত সংবাদের প্রতি সাংবাদিকরা মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ড. হাছান বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তার খোঁজখবর করছে।
‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোকসজ্জা করোনা সংক্রমণে কোনো প্রভাব ফেলবে কি না’- এ প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান বলেন, ‘আলোকসজ্জা বরং করোনার কারণে চিন্তিত মানুষকে উজ্জীবিত করবে। প্রবল উৎসাহ-উদ্দীপনা থাকলেও করোনা ভাইরাসের কারণে জনসমাগমপূর্ণ সব অনুষ্ঠান পূণর্বিন্যাস করা হয়েছে এবং আলোকসজ্জার সাথে জনসমাগমের কোনো সম্পর্ক নেই বিধায় করোনা সংক্রমণে এর কোনো প্রভাবও নেই।’
এরপর মন্ত্রী বেতার মিলনায়তনে সংক্ষিপ্ত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, উন্নত রাষ্ট্রের পাশাপাশি উন্নত জাতি গঠন আমাদের লক্ষ্য, এবং বেতার সেই লক্ষ্য অর্জনে বড় ভূমিকা রাখবে।