1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
১৩ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৯ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর ইলেকট্রিশিয়ানের মরদেহ উদ্ধার মাদকমুক্ত ভবিষ্যৎ চাই? মাঠ ফিরিয়ে দিন, খেলাধুলা ফিরিয়ে দিন পলাশবাড়ীতে মেধার জয়: ট্যালেন্টপুলে প্রথম জান্নাতুল নেসা সাদুল্লাপুরে শিক্ষকদের সাথে নব-নির্বাচিত এমপির মতবিনিময় তারাগঞ্জে এতিমদের সঙ্গে ইফতার করলেন এমপি এটিএম আজহারুল ইসলাম লালমনিরহাটে অনলাইন জুয়া চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৮২টি সিম ও ২০টি অ্যাপ পলাশবাড়ীতে ভুয়া মালিক সাজিয়ে ১৮ লাখ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি তরাগঞ্জে ইফতার পরবর্তী কিশোরদের মাদকের আসর: হুমকির মুখে তরুণ প্রজন্ম লালমনিরহাটে অটোরিকশা থেকে চাঁদা আদায়ের সময় হাতেনাতে গ্রেপ্তার-২ লালমনিরহাটে ভুট্টা ক্ষেত থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ভারতে বিক্ষোভকারীদের হাত থেকে পুলিশকে বাঁচালেন মুসলিম বৃদ্ধ

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ২৯ বার পড়া হয়েছে

সংঘর্ষ তখন চরম পর্যায়ে চলছে। কাঁদানে গ্যাসের ধোঁয়ায় চার দিক অন্ধকার। দাউদাউ করে জ্বলছে বাস। ছুটে আসছে ইট-পাথরের টুকরো। বিক্ষোভের আঁচে আক্ষরিক অর্থেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি।

এর মধ্যেই কর্তব্য পালন করছিলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কর্মী অজয় কুমার। আচমকাই একা হয়ে পড়েন পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে। বিক্ষোভকারীদের রোষের মুখে পড়ে যান আচমকা। তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভকারীরা। মারতে থাকেন। কিন্তু এই অবস্থাতেও খেলা ঘুরিয়ে দিলেন এক ব্যক্তি। তিনিও ছিলেন বিক্ষুব্ধদের মধ্যেই। কিন্তু এই চরম আক্রোশের সময়েও পালন করলেন মানবিকতার দায়িত্ব। হাজি কাদির। তাঁকেই এখন ‘ভগবান’ বলে মানছেন অজয় কুমার নামের ওই পুলিশ।

ঠিক কী হয়েছিল সে দিন? সংবাদমাধ্যমের কাছে সে কথা বললেন অজয় কুমার নিজেই।

এখনও পুরোপুরি সুস্থ হননি অজয়। ঠিক এক সপ্তাহ আগে লখনউতে প্রবল বিক্ষোভ চলার সময়ে হিংসার মুখোমুখি পড়ে যে চোট-আঘাত পেয়েছিলেন, তার ক্ষত এখনও দগদগে। হাতে প্লাস্টার করা।

তিনি বললেন, “ভগবানের মতে এসেছিলেন ওই মুসলিম বৃদ্ধ, হাজি কাদির। ওই সময় ওই মানুষটা না এলে আমি মরেই যেতাম হয়তো।”

অজয় জানালেন, সেদিনের অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যে কী ভাবে তাঁকে বিক্ষুব্ধ ও উন্মত্ত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন হাজি। কী ভাবে সুশ্রূষা করে সুস্থ করে তোলেন তাঁকে।

“এমন মানুষ যে হতে পারে, আমি ভাবিনি। ডিউটি করছিলাম পেটের দায়ে। আচমকাই আমায় ঘিরে ধরে সকলে। বুঝতে পারিনি, আমার বাহিনী আমার থেকে আলাদা হয়ে গেছে। অতগুলো লোকের মাঝে আমি একা। সকলেই প্রতিবাদে হিংসায় ফুটছে! তখনই হাজি এগিয়ে আসেন। প্রায় জাপটে ধরে আমায় প্রাণে বাঁচান বিক্ষোভকারীদের হাত থেকে। আমায় নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। জল দেন, খাবার দেন। আমার হাতে মলম লাগিয়ে দেন। নিজের পোশাক বার করে দেন পরার জন্য। সুস্থ করে তোলেন আমাকে।”– বলেন অজয়।

হাজি কাদির জানিয়েছেন, প্রবল বিক্ষোভ চলছিল। তিনিও যোগ দিয়েছিলেন। নাগরিকত্ব আইন সমর্থন করেন না তাঁরা। তাই সামিল হয়েছিলেন প্রতিবাদে। কিন্তু মাঝে এক সময়ে নমাজ পড়ার জন্য মসজিদে যান। তখনই শুনতে পান, বাইরে আচমকাই হই হই হচ্ছে খুব বেশি। বেরিয়ে দেখেন, এক পুলিশকর্মীকে ঘিরে ফেলেছেন প্রতিবাদীরা।

হাজি কাদির বলেন, “আমি ওই পুলিশকে চিনতাম না। কিন্তু এটা জানতাম, উনি ওঁর ডিউটি করছে মাত্র। এই ক্ষুব্ধ জনতার মুখে পড়লে প্রাণে বাঁচাই কঠিন হবে ওঁর। তখনই ঝাঁপিয়ে পড়ি ভিড়ে। সবাই খুব মারছিল। সবার হাত থেকে আড়াল করি ওই পুলিশকে। তখন ওঁর নামও জানতাম না আমি।”

হাজির দাবি, কেবল মানবিকতার খাতিরেই অচেনা ওই পুলিশকে রক্ষা করেছেন তিনি। সূত্র- দ্যা ওয়াল।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!