
বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে আজ (বৃহস্পতিবার)। গ্রহণের সময় সূর্যকে রক্তাক্ত আংটির মতো দেখাবে।সূর্যকে বড় জোড় তিন মিনিট ৪০ সেকেন্ড এই অবস্থায় দেখা যাবে।
সূর্য গ্রহণের সময় সূর্যের চারপাশে থাকবে এক আগুনের বলয়। বিজ্ঞানীরা যাকে বলেন ‘রিং অব ফায়ার’।
মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানান, আড়াই ঘণ্টা ধরে চলবে এ মহাজাগতিক দৃশ্য। সূর্যকে ৯০ শতাংশের বেশি ঢেকে ফেলবে চাঁদ, যা খালি চোখেই অবলোকন করতে পারবেন বিশ্ববাসী।
সূর্যগ্রহণটি বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে দুপুর ২টা ৫ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে শেষ হবে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে বাংলাদেশে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। বাংলাদেশে আংশিক সূর্যগ্রহণ সকাল ৯টা ২মিনিটে শুরু হয়ে সম্পন্ন হবে বেলা ১২টা ৬ মিনিটে। আর সর্বোচ্চ সূর্যগ্রহণ সকাল ১০টা ২৮ মিনিটে হবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের বিজ্ঞানীরা।
আবহাওয়া অধিদফতর জানান, ঢাকায় সকাল ৯টা ৪মিনিট ৪৮ সেকেন্ড সূর্যগ্রহণ শুরু হয়ে সম্পন্ন হবে ১২টা ৬ মিনিট ৪২ সেকেন্ড। আর কেন্দ্রীয় গ্রহণ সময় ১০টা ২৯ মিনিট ১৮ সেকেন্ডে। ময়মনসিংহে ৯টা ৬ মিনিটে শুরু হয়ে সম্পন্ন হবে ১২টা ৮ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ সময় ১০টা ৩১ মিনিটে। চট্টগ্রামে ৮টা ৫৫ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে শুরু হয়ে সম্পন্ন হবে ১১টা ৫৮ মিনিটে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ সময় ১০টা ২০ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে।
সিলেটে শুরু হবে ৯টা ৩৬ সেকেন্ডে, সম্পন্ন হবে ১২টা ৩ মিনিটে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ সময় ১০টা ২৫ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে। বরিশালে ৯টা ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ড শুরু হয়ে সম্পন্ন হবে ১২টা ৪ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ সময় ১০টা ২৭ মিনিট ১৮ সেকেন্ডে। রাজশাহীতে ৯টা ১২ মিনিট ১২ সেকেন্ডে শুরু হয়ে সম্পন্ন হবে ১২টা ১৪ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ সময় ১০টা ৩৭ মিনিট ১২ সেকেন্ডে। রংপুরে ৯টা ১২ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডে শুরু হয়ে সম্পন্ন হবে ১২টা ১৫ মিনিট ১২ সেকেন্ডে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ সময় ১০টা ৩৭ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডে।
বিজ্ঞান জাদুঘরের পক্ষ থেকে খালি চোখে, বাইনোকুলার বা টেলিস্কোপের সাহায্যে সূর্যগ্রহণ না দেখতে অনুরোধ করা হয়েছে। জাদুঘরের পক্ষ থেকে সোলার টেলিস্কোপ এবং সোলার ফিল্টারের সাহায্যে সূর্যগ্রহণ দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।