
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বলেছেন, নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটারদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমরা নেব। তারা ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরবেন, সেই নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করব।
আজ রোববার নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন।
ভোটারদের উদ্দেশে কেএম নূরুল হুদা বলেন, ‘আপনারা ভোটকেন্দ্রে আসেন। নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটারদের দায়িত্ব আমরা নেব। সুতরাং ভোটাররা ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরবেন। সেই নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করব। তাই আহ্বান করব, ভোটাররা যেন ভোট দিতে আসেন।’
দুই সিটি নির্বাচনের ব্যাপারে সিইসি বলেন, বর্তমান মেয়ররা নির্বাচন করতে চাইলে তাদের পদত্যাগ করে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। আর করপোরেশনের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি নির্ধারণ করবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
তিনি বলেন, নির্বাচনে সেনা থাকবে না। পুলিশ, বিজিবি থাকবে। তবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন পরিচালনার জন্য প্রতি কেন্দ্রে দুই জন করে সেনা সদস্য থাকবে।
দলের সর্বস্তরে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য পদ পূরণের জন্য ২০২১ সাল পর্যন্ত সময় ঠিক করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এ নিয়ে সিইসি বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী এটা আইনসিদ্ধ হয়নি। আমাদের আইন অনুযায়ী, দলগুলোকে ২০২০ সালের মধ্যে সর্বস্তরে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য পদ পূরণ করতে হবে। দল কীভাবে কী করছে, সেটা তাদের ব্যাপার। কোনো দল যদি শর্তটি পূরণ করতে না পারে, তখন আমরা বিবেচনা করব। অগ্রিম কিছু বলা যাবে না।
সংবাদ সম্মেলনে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।