
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে রোববার প্রকাশিত হয়েছে রাজাকারের তালিকায় বগুড়ার আদমদীঘি থানা এলাকার মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, মুক্তিযোদ্ধা এবং আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্যসহ এক ডজনেরও বেশি আওয়ামী লীগ নেতাদের নাম রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও কর্মীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রায় ৩০ বছর আদমদীঘি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কছিম উদ্দীন আহম্মেদ, সাবেক এমএনএ মজিবর রহমান আক্কেলপুরি, এলাকার শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতা মৃত ফরেজ উদ্দীন মাস্টার, মৃত মজিবর রহমান মাস্টার, মৃত তাহের উদ্দীন মাস্টার, মৃত ডা. মহসিন আলী মল্লিক, মৃত হবিবর রহমান, মৃত নজিবর রহমান সরদার, মুক্তিযোদ্ধা আমিরুল ইসলামসহ আরও অনেকের নাম রয়েছে তালিকায়।
প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় এসেছে বৃহত্তর আদমদীঘি (আদমদীঘি ও আক্কেলপুর একত্রে থাকাকালীন) থানা এলাকার মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ভাষা সৈনিক, যিনি ভারতের কামাড়পাড়াতে একটি মুক্তিযোদ্ধাদের টেনিং ক্যাম্প পরিচালনা করেছেন। ১৯৭০ সালে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নৌকা মনোনীত এমপি ও ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর সভাস্থলে অবস্থানকারী, ১৯৭৩ সালের জাতীয় সংসদের নৌকা মার্কার মনোনীত এমপি।
বঙ্গবন্ধুর গভর্নর প্রথা চালুকালে, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলার গর্ভনর। ৭৫ পরবর্তী দুর্যোগকালীন সময়ে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি।
রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, মুক্তিযোদ্ধা এবং সেই সময় পরবর্তী শীর্ষ আওয়ামী লীগ নেতাদের নাম দেখে হতবাক হয়েছেন সাধারণ মানুষ।
সকলের দাবি, এটা ওই মন্ত্রণালয়ে কর্মরত ছদ্মবেশী স্বাধীনতা বিরোধীদের ষড়যন্ত্র ও অপকর্ম। বিভ্রান্তিকর তালিকা তৈরির সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবি করেছেন তারা।