
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় সোলার হোম সিস্টেম ষ্ট্রীট লাইটের আলোয় প্রসংশীত হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে আর অন্ধকার চোখে পড়েনা। ১০-১২ বৎসর পূর্বে যে গ্রাম পাড়া-মহল্লা অন্ধকারে ছিল এখন আর সে রকম নেই। দেখলে মনেই হয়না সে রকম দিনগুলি। সম্ভব করা হয়েছে আলোয় আলো। ইচ্ছা থাকলে যে উপায় হয় এ প্রবাদবাক্য অমূলক নহে। অন্ধকার সময়ে যে জোনাকী পোকা আলো জলিয়ে অন্ধকারকে হারিয়ে ফেলত সে রকম আর জোনাকীর আলো চোখেই পড়েনা। শুধু তাই নয়, গ্রামগঞ্জে, পাড়া-মহল্লায় যে স্থান গুলো অন্ধকারাচ্ছন্ন অবস্থায় ছিল তাও সম্ভব হয়েছে সচ্ছতার কারণে আলো জ¦লতে। টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্প গুলো আগে দেখেছি কাগজ কলমের মধ্যেই সিমাবদ্ধ ছিল। আজ সেই সব প্রকল্পের বরাদ্দ দিয়েই সোলার হোম সিস্টেম ও ষ্ট্রীট লাইটের আলোর ব্যবহার আবশ্যকীয়। ২০১৮-১৯ অর্থ বৎসরে এ বরাদ্দ দিয়ে এ উপজেলায় ৬৯৯ ও ২২৭টি সোলার লাইট দিয়ে গ্রামীন জনপদ ও জনসাধারণের ঘরে আলো দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ইউকলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসাবে গ্রীন হাউজিং এনার্জি লিঃ-কে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলাতে কাজ করার অনুমোদন প্রদান করেন। নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্প ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিটা ও গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষন টিআর কর্মসূচির আওতায় প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ৬৯৯টি ও ২২৭টি সোলার হোম সিস্টেম ষ্ট্রীট লাইট স্থাপন করে। সরেজমিন ঘুরে এসব বরাদ্দের লাইট স্থাপন গুলো দেখা যায়। ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে এসব সোলার আলো দিয়ে জনসাধারণকে অন্ধকার থেকে মুক্ত করছে। জানিয়ে দিচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কথা। ছাত্র-ছাত্রী, কৃষক-শ্রমিক বলে দিচ্ছে আলোর কথা। যে আলো দিয়ে ছাত্র-ছাত্রী পড়ালেখা করছে সে আলো দিয়েই সব কাজ করা হচ্ছে। ভূক্তভোগীগণ যারপর নেই খুশি। তছলিমা মনের কথা বলেই বসলো কোনদিন সে চিন্তা করতে পারে নাই তার ঘরে আলো জ্বলবে। কৃষক গণি মিয়া বিশ্বাস করতে নারাজ সোলার দিয়ে কৃষি কাজ হয়। আজ এসব বাস্তবে রুপ নিয়েছে। শক্তি প্রকল্প ষ্ট্রীট লাইট গুলো গোড়াপাকা পর্যন্ত করে দিয়েছে। এইভাবে স্বচ্ছতার সহিত প্রতি অর্থ বৎসরে গ্রামীণ অবকাঠামোর বরাদ্দ দিয়ে বঞ্চিত অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর কাজ অব্যাহত রাখার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে জোর আহবান জানিয়েছেন # (ছবি সংযুক্ত)