
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী পৌরসভার রাইগ্রাম মৌজার মোঃ শামীম ইসলাম(২৮) নামে এক যুবককে রাতের অন্ধকারে চোখ-মুখ এবং গায়ের গেন্জি ছিড়ে হাত- পা বেধে বেদম মারপিট করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।
জানা যায় ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাত ৮ টায় রাইগ্রাম- জুনদহ মাঝামাঝী কাচা রাস্তায় বাইসাইকেল যোগে শামীম ইসলাম জুনদহ বাজারে মোবাইল রিচার্জ করার উদ্দেশ্য রওনা দিলে পথিমধ্য অতর্কিত ৫/৭ জন যুবক তাকে আটক করে চোখমুখ হাত-পা বেঁধে বেদম মারপিট করে ফেলে রাখে। পরে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আহত যুবককে ভর্তি করে।
আহত শামীম একই গ্রামের আঃ সোবাহানের ছেলে। গত বুধবার ২০ নভেম্বর নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে পলাশবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়রী (জিডি নং ৮২৫) করেন। এর পরদিন সে হামলার শিকার হয় বলে জানান। একই গ্রামের মৃত নয়া মিয়ার ছেলে সাইদুর রহমান, শফিকুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম ও শফিকুল ইসলামের ছেলে সোহেল মিয়াকে বিবাদী করে পলাশবাড়ী থানায় একটি জিডি করে।
এ ঘটনার অন্তরালে জানা যায় একই গ্রামের সাইদার রহমানের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে সাগরীকার সাথে শামীমের ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে মেয়ের বাবা মা অন্যত্র বিবাহ ঠিক করে। এরপর সাগরিকা শামীম এর সাথে দেখা করে বিয়ে ভেঙ্গে দিতে হবে এবং তারা দুজনে শামীমের ঘরে মোবাইল ফোন দ্বারা অন্তরঙ্গ আবস্থায় একটি ভিডিও ধারণ করে। যাহার সাথে বিবাহ ঠিক হয়েছে তার নিকট লোক দ্বারা ঐ ভিডিওটি পাঠিয়ে দেয় হয়। উপজেলার ফকিরহাট একাকার এ যুবকের সাথে বিবাহ ঠিক হয়েছিলো বলে জানা যায়। ভিডিওটি দেখে ঐ পরিবার বিবাহটি ভেঙ্গে দেয়। এ বিষয়ে একটি স্থানীয় মিটিং হয় এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে বিবাহ উপলক্ষে ছেলে পক্ষকে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছিলো এই টাকা এখন শামীমকে দিতে হবে। শামমীম ৪৫ হাজার টাকা সাগরিকার বাবা সাইদার রহমানের হাতে তুলে দেয় (মজনুর দোকানের সামনে)। লেনদেন শেষে শামীমকে বলা হয় টাকা দিলেই সমাধান হবে তা নয় পরে তোকে যেখানে সেখানে দেখে নেওয়া হবে। এই হুমকির ফলশ্রতিতে শামীম পলাশবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন #