1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩১ অপরাহ্ন
৯ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এমপি নজরুল ইসলাম লেবু শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে ঝাড়ু হাতে গাইবান্ধা সদরের এমপি আব্দুল করিম সাদুল্লাপুরে গণপিটুনিতে নিহত দুই ছিনতাইকারীর ঘটনায় হত্যা মামলা পলাশবাড়ী পৌর ছাত্রশিবির সভাপতির নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ গাইবান্ধায় শহীদ মিনারে ফুল দিতে এসে দুই আ’লীগ নেতা আটক পলাশবাড়ীতে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন পলাশবাড়ীর পরিচিত প্রিয় মুখ চা ও সুস্বাদু ভাপা পিঠা বিক্রেতা মাসুদ পোদ্দার ওরফে মাসুদ আর নেই গাইবান্ধা সরকারি কলেজে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত গাইবান্ধায় যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন পঞ্চগড়ে রঙিন বিস্ময়: টিউলিপে সাজল তেঁতুলিয়া, দর্শনার্থীদের ঢল

দেহ ময়মনসিংহে মাথা কুড়িগ্রামে, হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহ নগরীর পাটগুদাম শম্ভুগঞ্জ ব্রিজের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া হাত-পা ও মাথাহীন মরদেহের রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি।

নৃশংস এ হত্যা কান্ডের ঘটনায় একই পরিবারের দুই ভাই-এক বোন এবং ভাইয়ের স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আজ বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্স হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নৃশংস এ হত্যাকান্ডের বর্ণনা দিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন।

তিনি জানান, গত ২৯ অক্টোবর মঙ্গলবার গ্রেফতার হওয়া আসামিরা আদালতে ও পুলিশের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আসামিরা জানিয়েছেন, পরিচয় গোপন করতে ও পুলিশ থেকে বাঁচতেই মরদেহটি টুকরা টুকরা করে পৃথক স্থানে ফেলেছিলেন তারা।

এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ফারুক মিয়া (২৫), তার ভাই হৃদয় মিয়া (২০), বোন সাবিনা আক্তার (১৮), ফারুকের স্ত্রী মৌসুমি আক্তার (২২)। হত্যার শিকার ওই যুবকের নাম মোঃ বকুল (২৮)। তিনি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার হুগলা এলাকার ময়েজ উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ সুপার জানান, নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার হুগলা এলাকায় বসবাস করতেন নিহত ও হত্যাকারী দুই পক্ষই। তাদের মধ্যে বিরোধ শুরু মূলত সাবিনাকে নিয়ে। তাকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করতেন বকুল। বকুলের অত্যাচার থেকে রক্ষা পেতে সাবিনাকে বিয়ে দেয় তার পরিবার। কিন্তু বিয়ের পরও বকুলের হাত থেকে রেহাই পাননি সাবিনা। তার শ্বশুর বাড়িতে গিয়েও তাকে উত্ত্যক্ত করেন বখাটে বকুল। আর এ উত্ত্যক্ত থেকে রক্ষা পেতে তাকে হত্যার ছক আঁকেন সাবিনাসহ দুই ভাই ও ভাবি।

পরিকল্পনা মতো সাবিনা প্রেমের ভান করেন বকুলের সঙ্গে। এরপর তাকে নিয়ে গাজীপুরে যান৷ পরে তার দুই ভাই গার্মেন্টসকর্মী ফারুক, হৃদয় ও ফারুকের স্ত্রী মিলে গার্মেন্টসে ব্যবহৃত ছুরি দিয়ে হত্যা করেন বকুলকে। এরপর শরীর কেটে কয়েকটি টুকরা করা হয়। এসব টুকরার মধ্যে ছয় টুকরা একটি লাগেজে করে ময়মনসিংহের পাটগুদাম এলাকার ব্রিজের পাশে ফেলে রেখে যান ফারুক ও হৃদয়।

এদিকে হাত, পা ও মাথা ভ্যানিটি ব্যাগে করে সাবিনাকে সঙ্গে নিয়ে মৌসুমি আক্তার কুড়িগ্রাম সদর ও রাজারহাটে পুকুরে ফেলে দিয়ে আসেন। রাজারহাটে মৌসুমী আক্তারের বাবার বাড়ি।

এ ঘটনায় ২৫ অক্টোবর ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের পর তার তদন্তভার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপর ন্যস্ত করেন জেলা পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন।

মামলাটি তদন্তকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় ময়মনসিংহ ডিবির ওসি শাহ কামাল আকন্দের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল। মামলার তিনদিনের মাথায়ই গত ২৮ অক্টোবর গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থেকে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করে ডিবি।

পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে হত্যাকান্ডের রহস্য ও মরদেহের পরিচয়৷ বোনকে উত্ত্যক্ত করার কারণেই ঘটে ওই হত্যাকান্ড।

যেভাবে উদঘাটন হলো হত্যার রহস্য:

ময়মনসিংহ থেকে শরীর ও কুড়িগ্রাম, রাজারহাটে পাওয়া হাত পা ও মাথার সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে কিনা প্রথমে তা খতিয়ে দেখা শুরু করে পুলিশ। দুই দিনে উদ্ধার হওয়া সবগুলো মরদেহের খন্ড একই পলিথিন ও কালো সুতা দিয়ে প্যাঁচানো থাকায় পুলিশের সন্দেহ হয় অংশগুলো একই ব্যক্তির।

এদিকে ময়মনসিংহে লাগেজে রাখা মরদেহের সঙ্গে উদ্ধার হয় এক নারীর পোশাক। আবার কুড়িগ্রামে খন্ডিত অংশের সঙ্গে পাওয়া যায় একটি লুঙ্গি, গেঞ্জি ও নারীদের ব্যবহৃত ভ্যানিটি ব্যাগ। তখন পুলিশ ধারণা করে কোনো নারী সংশ্লিষ্ট ঘটনায় প্রতিশোধমূলক এই হত্যাকান্ড ঘটে থাকতে পারে।

সেই ভ্যানিটি ব্যাগের ভেতরে একটি চিরকুটও পায় পুলিশ। চিরকুটের সূত্র ধরেই পুলিশ নেত্রকোনার পূর্বধলায় খুঁজে পায় সাবিনা আক্তারের পরিবারকে। এরপর তদন্তে বের হতে থাকে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!