1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
৯ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ী পৌর ছাত্রশিবির সভাপতির নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ গাইবান্ধায় শহীদ মিনারে ফুল দিতে এসে দুই আ’লীগ নেতা আটক পলাশবাড়ীতে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন পলাশবাড়ীর পরিচিত প্রিয় মুখ চা ও সুস্বাদু ভাপা পিঠা বিক্রেতা মাসুদ পোদ্দার ওরফে মাসুদ আর নেই গাইবান্ধা সরকারি কলেজে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত গাইবান্ধায় যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন পঞ্চগড়ে রঙিন বিস্ময়: টিউলিপে সাজল তেঁতুলিয়া, দর্শনার্থীদের ঢল ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানালেন জামায়াত আমিরসহ বিরোধীদলীয় নেতারা

মন্ত্রিসভায় ‘গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন’র খসড়ার চুড়ান্ত অনুমোদন

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর শহর এলাকার পরিকল্পিত উন্নয়নে গতি আনতে ‘গাজীপুর উন্নয়ন কতৃর্পক্ষ আইন-২০১৯’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ সোমবার সকালে তাঁর কার্যালয়ে (পিএমও) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়।

পরে, সচিবালয়ে বৈঠক শেষে বিদায়ী মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

এদিন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২০ সালের জন্য সাধারণ এবং সরকারের নির্বাহী আদেশ মিলেয়ে ২২ দিন সরকারি ছুটি নির্ধারণ করা হয়। একইসঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং বাংলাদেশের কূটনৈতিক এবং অফিসিয়াল পার্সপোর্টধারীদের জন্য ভিসা ছাড় সংক্রান্ত একটি চুক্তির খসড়াও অনুমোদন করা হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী উভয় দেশের কূটনেতিক এবং অফিসিয়াল পার্সপোর্টধারীরা ভিসার ক্ষেত্রে ছাড় পাবেন।

শফিউল আলম বলেন, ‘গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র নানা কাজের মধ্যে মূল কাজ হচ্ছে- ‘মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বিভিন্ন আবাসনের জন্য পরিকল্পনার অনুমোদন।’

তিনি বলেন, আইনে তেমন কোন বড় পরিবর্তন নেই। চট্টগ্রাম (সিডিএ), খুলনা (কেডিএ) এবং রাজশাহীর (আরডিএ) আইনের অনুরূপভাবে করা হয়েছে এই আইনটি। তিনটি আইন মোটামুটি একই রকম বলা যায়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এখানকার ৫ ধারায় কর্তৃপক্ষের গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে- চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি ২২ সদস্যের পরিচালনা বোর্ড থাকবে। এই বোর্ড সদস্যদের মেয়াদ হবে ৩ বছর।

কর্তৃপক্ষের সভার বিষয়ে ৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রতি তিন মাসে অন্তত একটি সভা হতে হবে এবং সভার তারিখ ও সময় চেয়ারম্যান কতৃর্ক নির্ধারিত হবে। এক তৃতীয়াংশ সদস্য উপস্থিত থাকলে কোরাম হবে।

তিনি বলেন, সাধারণত সিটি কর্পোরেশন এবং উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জুরিসডিকশন একই হয়ে থাকে।

সচিব বলেন, আইনের ৪ ধারায় এর কার্যালয় সম্পর্কে বলা হয়েছে- উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যালয় সিটি কর্পোরেশন এলাকায় হবে এবং ইহা গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকা এবং সরকারি গেজেটের প্রজ্ঞাপন দ্বারা উক্ত সিটি কর্পোরেশন এলাকা সংলগ্ন যে সকল এলাকা নির্ধারণ করা হবে, সে সকল এলাকায় প্রযোজ্য হবে।

মন্ত্রিসভায় ২০২০ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন দেয়া হয়। সাধারণ ও নির্বাহী আদেশে ছুটি মিলিয়ে মোট ২২ দিন ছুটি থাকবে। এরমধ্যে সাধারণ ছুটি ১৪দিন এবং সরকারের নির্বাহী আদেশে ৮ দিন ছুটি থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘২০২০ সালে জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ১৪ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। এছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ৮ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘মুসলমানদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটি রাখা হয়েছে ৫ দিন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটি রাখা রয়েছে ৮ দিন, খ্রিস্টানদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটি রাখা হয়েছে ৮ দিন, বৌদ্ধদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটি ৫ দিন। আর পার্বত্য এলাকার জন্য বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ছুটি থাকবে দুদিন। বিশেষ করে বৈশাখে বৈসাবি ও অন্য অনুষ্ঠানগুলো হয়, সেজন্য।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সাধারণ ছুটির ১৪ দিনের মধ্যে ৭ দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার পড়েছে। নির্বাহী আদেশে ৮ দিন ছুটির মধ্যে একদিন সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে পড়েছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এদিন মন্ত্রিসভার ১৯তম এই বৈঠকে তিনটি এজেন্ডা ছাড়াও এটি তার শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক হওয়ায় তাকে ধন্যবাদ জানায় মন্ত্রিসভা। তিনি বলেন, আজ ২৮ অক্টোবর, তিনি মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে চার বছর পূর্ণ করলেন। ২০১৫’র ২৯ অক্টোবর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি।

চার বছরের দায়িত্ব পালনে অর্জন নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমাদের ক্যাবিনেটের অনেকগুলো অর্জন আছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে নিজে খুবই স্যাটিসফায়েড।’

তার দায়িত্ব পালনকালীন মন্ত্রিসভার অর্জন সম্পর্কে বলতে গিয়ে শফিউল আলম বলেন, ‘আমরা এখন দিনের কাজ দিনেই শেষ করি।’

তিনি উদাহারণ দেন, যেমন আজকে মন্ত্রিসভার বৈঠক হলো আজকেই প্রসিডিংস স্বাক্ষর হয়ে শেষ হয়ে যায়। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষর করে চূড়ান্ত করেন। এরজন্য আর বিলম্ব হয় না প্রয়োজনে মিটিংয়ের এজেন্ডা বেশি থাকলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফাইল পাঠিয়ে তাঁর স্বাক্ষর আনা যায় বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘তবে শুধু ক্যাবিনেট মিটিং না, ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি, অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি, অন্যান্য যে মন্ত্রিসভা কমিটিগুলো আছে সবগুলোতে আমরা এই নিয়মটা অনুসরণ করি। এই চর্চা আমরা অব্যাহত রেখেছি। এটাতে আমরা নিজেরা স্যাটিসফায়েড যে, কাজটা শেষ করে দিলাম। পেন্ডিং থাকল না।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ‘গত কয়েক বছরে আমাদের এপিএ (বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি), এনআইএস (জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল), সিটিজেন চার্টার, আরটিআই সবগুলোর ব্যাপারে আমরা ডকুমেন্টশন করেছি। সবকিছু ডকুমেন্টেড আছে, আমাদের ওয়েবসাইটেও দেয়া আছে।’ সূত্র: বাসস।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!