1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ন
৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পীরগঞ্জে কোচিং বাণিজ্যে শিক্ষকদের লোলুপ দৃষ্টি! শিক্ষা কি এখন আর মানুষ গড়ার কারখানা নয়? পর্ব-৪ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী মূল্যায়ন উপলক্ষে গাইবান্ধায় সিপিবি’র বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভা নবনির্বাচিত এমপি’র আগমন উপলক্ষে পলাশবাড়ী উপজেলার সকল দপ্তর প্রধানগণের সাথে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা গাইবান্ধায় গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে মাসব্যাপী ইফতার ও রাতের খাবার কর্মসূচি শুরু ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ— লালমনিরহাটে ত্রাণমন্ত্রী দুলু সাদুল্লাপুরে গণপিটুনিতে নিহত দুইজনের পরিচয় শনাক্ত সাদুল্যাপুরে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনি: নিহত ২ পীরগঞ্জে খামারের আড়ালে খাঁচায় বন্দি পাখি, শখের আড়ালে বন্যপ্রাণী আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন! রমজানে বাজার মনিটরিং-এ ফুলছড়ির উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান পলাশবাড়ীতে ‘মানবতার ঝুড়ি’: রমজানকে সামনে রেখে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবে রোহিঙ্গাদের সায়

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে কয়েকটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ তার প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা৷

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ‘পরিস্থিতির ভয়াবহতা’ অনুভব করার আহ্বান জানান৷

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইন ছেড়ে বাংলাদেশে আসতে শুরু করেন রোহিঙ্গারা; এই সংখ্যা কিছু দিনের মধ্যে পৌঁছে যায় সাত লাখে৷ আর আগে থেকে বাংলাদেশে অবস্থান করছিল আরও চার লাখ রোহিঙ্গা৷

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও খাদ্য সরবরাহ করে বাংলাদেশ পরিস্থিতি দারুণভাবে সামাল দিলেও তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরাতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগে সাফল্য আসেনি একেবারেই৷ এরইমধ্যে কক্সবাজারে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করছে৷ অনেক বাংলাদেশিই মনে করছেন, রোহিঙ্গাদের আর কখনই মিয়ানমারে ফেরানো সম্বব হবে না৷

শেখ হাসিনার চার প্রস্তাব

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চারটি প্রস্তাব নিম্নরূপ:

১) মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের কার্যকর প্রত্যাবাসনে উদ্যোগ নিয়ে সংকট নিরসনে রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে হবে৷

২) মিয়ানমারকে বৈষম্যমূলক আইনের বিলোপ ঘটাতে হবে এবং রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের উত্তর রাখাইন অঞ্চল সরেজমিনে পরিদর্শনের অনুমতি দিতে হবে৷

৩) রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক বেসামরিক পরিদর্শক মোতায়েন করতে হবে৷

৪) রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণ দূর করা, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অন্যান্য অপরাধের সুষ্ঠু বিচার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নিশ্চিত করতে হবে৷

জরিপে অংশ নেয়া রোহিঙ্গাদের ১০ জনের ৪ জন ক্যাম্পে তাদের থাকার জায়গা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন৷ দশ জনের ৬ জন অসন্তোষ বা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন৷ তবে ৯৩ ভাগই মনে করেন, ক্যাম্পের পরিবেশ স্বাস্থ্যকর৷ ৯৭ ভাগই স্বাস্থ্যসেবার পর্যাপ্ত সুবিধা আছে বলে জানিয়েছেন৷ কিন্তু ৪৭ ভাগই ক্যাম্পে বাড়ির মতো অনুভব করেন না৷

শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঘটনার গুরুত্ব বোঝার আহ্বান জানাবো৷ ক্যাম্প ছাড়িয়ে এ সংকট বাইরেও বিস্তৃত হচ্ছে৷ আমাদের সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এটা একটা আঞ্চলিক হুমকিতে পরিণত হয়েছে৷”

একমত রোহিঙ্গারাও

বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বাস করা রোহিঙ্গা অ্যাক্টিভিস্টরা এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন৷ জার্মানিতে বসবাসরত নেই সান লুইন মনে করেন, শেখ হাসিনার প্রস্তাবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মনের কথারই প্রতিফলন ঘটেছে৷

ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, ‘‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফেরাতে বিচার, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং পূর্ণ নাগরিকত্ব সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন৷ শেখ হাসিনা এর সবকটিই তার প্রস্তাবে অন্তর্ভূক্ত করেছেন৷”

তবে, ২০১৭ সালের আগস্টে সবশেষ সংকট শুরুর পর থেকে শেখ হাসিনা এ নিয়ে তৃতীয়বার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রস্তাব দিলেন, এটিও মনে করিয়ে দেন নেই সান লুইন৷ তিনি বলেন, ‘‘বিশ্বনেতারা সবসময়ই তার প্রস্তাব শোনেন, কিন্তু কখনই মিয়ানমারকে চাপ দিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে তাকে সাহায্য করেন না৷”

যুক্তরাজ্যের বার্মিজ রোহিঙ্গা অরগানাইজেশনের সভাপতি তুন খিনও একই রকম মনে করেন৷ তিনি মনে করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মিয়ানমারের ওপর পর্যাপ্ত চাপ প্রয়োগ করছে না৷ তিনি বলেন, ‘‘প্রায় ১০ লাখের মতো রোহিঙ্গা গত কয়েক বছরে মিয়ানমার ছেড়ে পালিয়েছে৷ কিন্তু এখনও রাখাইনে প্রায় ছয় লাখ রোহিঙ্গা বাস করছেন৷ তারা ‘গণহত্যার’ হুমকিতে রয়েছেন৷ মায়ানমারকে নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের আস্থা অর্জন করতে হবে৷
সূত্র: ডয়চে ভেলে

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!