
রাষ্ট্রীয় খরচে হজে যাচ্ছেন প্রায় ৪০০ জন। এ সংখ্যা চারশ’ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানা গেছে। গত ১ জুলাই থেকে রোববার (২১ জুলাই) পর্যন্ত ২০ দিনে মোট সাত দফায় রাষ্ট্রীয় খরচে মনোনয়নপ্রাপ্ত ৩৮৯ জন হজযাত্রীর তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
এবছর রাষ্ট্রীয় খরচে পবিত্র হজ পালনের তালিকায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও রয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার, একাধিক প্রতিমন্ত্রী, সচিব ও সংসদ সদস্য। তারা আবার ভ্রমণসঙ্গী হিসেবে স্ত্রী ও সন্তানসহ তিনজনকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন। তারা ও তাদের স্ত্রী সন্তানরা ৪ লাখ ১৮ হাজার ৫০০ টাকার প্যাকেজ-১-এর সুবিধায় হজ করবেন।
আগামী ২৯ ও ৩০ জুলাই ফ্লাইট প্রাপ্তি সাপেক্ষে তারা পবিত্র হজ পালন করতে সৌদি যাবেন। ১০ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরে আসবেন।
রাষ্ট্রীয় খরচে হজে মনোনয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রতি বছরের মতো এবারো নানা মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, রাষ্ট্রীয় খরচে মনোনয়নের কোনো নীতিমালা রয়েছে কিনা? যাদেরকে মনোনয়ন দেয়া হয় তাদেরকে কোন ভিত্তিতে মনোনয়ন দেয়া হয়?
তাছাড়া যারা তালিকায় রয়েছেন তাদের প্রায় সকলেই অর্থবিত্তের মালিক। তাদের নিজ খরচে হজে যাওয়ার সামর্থ্য রয়েছে। তবুও কেন জনগণের টাকায় হাজী হতে যাচ্ছেন তারা?
১০ জুলাই আরও ১৩৪ সদস্যের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। একইভাবে পরবর্তীতে ১১ জুলাই ৪ জন, ১৪ জুলাই ৪ জন ও সর্বশেষ গতকাল আরও ১৩ জনের নাম প্রকাশ করা হয়।