
সিএমএইচে চিকিৎসাধীন জাতীয় পার্টির জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ শংকামুক্ত নন, তবে বেঁচে আছেন। এমন তথ্য জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের।
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এরশাদের সার্বিক শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত আছে। কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে। ফুসফুস কিছুটা কাজ করছে। তাই অল্প অক্সিজেন দেয়াতেই শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক আছে। ভালো আছেন বলা যাবে না, তিনি শংকামুক্ত নয়, তবে বেঁচে আছেন।
সোমবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
এ সময় প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়, এস.এম. ফয়সল চিশতী, আজম খান, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, এ্যাড. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, উপদেষ্টা ড. নুরুল আজহার, যুগ্ম মহাসচিব হাসিবুল ইসলাম জয়, সম্পাদক মন্ডলী সদস্য ফখরুল আহসান শাহাজাদা, শাহাজাহান মনসুর, সুলতান মাহমুদ, এম.এ. রাজ্জাক, মঞ্জরুল হক, মোঃ ইয়াকুব, মোস্তফা কামাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জিএম কাদের বলেন, অত্যাধুনিক ডায়ালাইসিস হেমো ডায়া ফিল্টারেশনে মাধ্যমে পল্লীবন্ধুর রক্ত থেকে অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য অপসারণ করা হচ্ছে এবং হেমো পারফিউশন এর মাধ্যমে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। সব কিছুই যন্ত্র এবং ঔষুধের মাধ্যমে সচল রাখা হয়েছে। ব্লাড প্রেসার ও হার্টবিট স্বাভাবিক রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে পারছেন৷ তবে প্রতিদিনই ইনজেক্ট করতে হচ্ছে। ফুসফুস, কিডনিসহ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিকভাবে কাজ করলেই লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হবে।
তিনি আরও জানান, এরশাদকে ঘুমের ঔষুধ ও বেদনা নাশক ঔষুধ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে। অবস্থার উন্নতি হলেই তাকে সচেতন করা হবে।
তার সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর দোয়া কামনা করেছেন জিএম কাদের।