
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর দুই সন্তানের জননী বাকপ্রতিবন্ধি হ্যাপী বেগমের (৩০) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ব্যাপারে গৃহবধূ’র বাবা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার বিবরণ ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বেতকাপা ইউপির বলরামপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়া বাবলুর মেয়ে হ্যাপি বেগমের সাথে একই ইউনিয়নের মুরারীপুর গ্রামের খাজা মিয়ার ছেলে আপেল মাহমুদের সাথে গত ১০ বছর আগে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ঘরে সাত বছরের এক মেয়ে ও পনের মাস বয়সী এক ছেলের জন্ম হয়। বৃহস্পতিবার দিন গত রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার সূত্র ধরে স্বামী আপেল তার স্ত্রীকে মারপিট করে। এ ঘটনায় স্ত্রী হ্যাপি অভিমান করে শয়ন ঘরের তীরের সাথে রশি পেচিয়ে আত্মহত্যা করে বলে জানা যায়।
এদিকে স্থানীয়দের নানামুখী গুঞ্জনসহ হ্যাপির বাবা বাবলু মিয়ার অভিযোগ তার মেয়েকে পরিকল্পিত হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালে শুক্রবার সকালে এসআই আলাউদ্দিন ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধায় প্রেরণ করেন।
এ ব্যাপারে হ্যাপির বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হ্যাপি সত্যিই আত্মহত্যা করেছে না তাকে হত্যা করা হয়েছে এ ব্যাপারে সঠিক কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই হত্যা না আত্মহত্যা রহস্যের বিষয়টি বেরিয়ে পড়বে।