
ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে দথিয়া এলাকায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন।
আজ মঙ্গলবার ভোর রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে দুইজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কিশামত হলদীয়া গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে ফজলুল হক (৪০) ও রংপুরের মির্জাপুরের মহুরীপাড়া মহল্লার আব্দুর রহিমের ছেলে আতাউর রহমান (৩২)। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাকি দুইজনের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
রায়গঞ্জ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. সেরাজুল ইসলাম জানান, ঢাকা থেকে গাইবান্ধাগামী জারিফ পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ৪জন মারা যায়। সংবাদ পেয়ে হতাহতদের উদ্ধার করা হয়। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রায়গঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. সেরাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে গাইবান্ধাগামী যাত্রীবাহী বাসটি রায়গঞ্জ উপজেলার শিমলা এলাকায় পৌঁছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা এসে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করে। আহত ২০ জনকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাসটি খাদের পানিতে পড়ে গেছে। সেখানে উদ্ধার অভিযান এখনও চলেছ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানান তিনি।
এদিকে সোমবার রাত ৮টার দিকে ঢাকার ধামরাইয়ের কালামপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় পিকআপ ভ্যানের চার যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত পাঁচজন।
ধামরাই ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর জানান, আরিচামুখী একটি যাত্রীবাহী বাস ঈদ উপলক্ষে যাত্রী পরিবহন করা একইমুখী একটি পিকআপ ভ্যানকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে পিকআপ ভ্যান থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই চারজন (পুরুষ) নিহত হন। আহত হন আরও অন্তত পাঁচজন।