1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন
৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৯শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীতে অতর্কিত হামলায় যুবদল কর্মী গুরুতর আহত, বিচ্ছিন্ন দুই আঙুল এবারের নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য উৎকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকবে : প্রধান উপদেষ্টা গণঅভ্যুত্থানের পর প্রথম ভোট : সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে নেপালের রাজনীতি সরকার চাইলে সব ধরনের সহায়তা করবে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান চরমোনাই পীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তারেক রহমান ইউএনও কার্যালয়ে গোপনে ভিডিও ধারণ, থানায় জিডি: পলাশবাড়ীতে বৃদ্ধ দম্পতির জমি দখল অভিযোগে নতুন মোড় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে এনসিপি, ধন্যবাদ জানালেন প্রধান উপদেষ্টা পলাশবাড়ীতে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন পলাশবাড়ীতে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার রোধে আলোচনা সভা ‎বিপুল ভোটে হার, লালমনিরহাটে জামানত হারালেন জাপার হেভিওয়েট প্রার্থী রাঙ্গা

ট্রাম্পের সাথে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় উত্তর কোরিয়া কর্মকর্তাদের মৃত্যুদণ্ড?

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ১ জুন, ২০১৯
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে যে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক আলোচনা বিষয়ক দূতের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আর উত্তর কোরিয়ার মধ্যে ব্যর্থ বৈঠকের জের ধরে কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তির অংশ হিসাবে দেশটি এসব ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে খবরে বলা হয়েছে।

কিন্তু দেশটির কর্মকর্তাদের এভাবে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার এসব তথ্য আসলে খুব সতর্কতার সঙ্গে দেখা দরকার। কারণ এসব তথ্য যাচাই করা খুব কঠিন আর অনেক সময় সেগুলো ভুল বলেও প্রমাণিত হয়। খবর বিবিসি বাংলার

অতীতে দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম ও সরকার কোন কোন সময় উত্তর কোরিয়ার কর্মকর্তাদের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে বলে জানালেও, কয়েক সপ্তাহ পরে তাদেরকেই আবার দেশটির নেতা কিম জং-আনের আশেপাশে দেখা গেছে।

এবার একটি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে সোলের গণমাধ্যম জানাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে উত্তর কোরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং হ্যানয়ে কিম জং-আন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কিম হায়ক-চোলকে পিয়ংইয়ং বিমানবন্দরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

ওই সূত্র আরো জানিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরো চারজন কর্মকর্তাকেও একই শাস্তি দেয়া হয়েছে।

তাদের সবার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করছেন এবং মার্কিন মতলবের বিষয়টি ঠিক মতো ধরতে না পেরে আলোচনার ব্যাপারে দুর্বল পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন।

আরো জানা যাচ্ছে যে, উত্তর কোরিয়ার নেতার ডান হাত বলে পরিচিত কিম ইয়াঙ-চোল, যাকে হ্যানয় বৈঠক আয়োজন দেখভাল করার জন্য ওয়াশিংটনে পাঠানো হয়েছিল, তাকেও চীন সীমান্তের কাছে শ্রমশিবির ও পুনঃশিক্ষা ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে।

প্রতিবেদনটি বিশ্বাস করা যেতে পারে, কারণ গত ফেব্রুয়ারিতে সামিটের পর থেকে এই ব্যক্তিদের আর জনসম্মুখে দেখা যায়নি।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনার ফলাফলে কিম জং-আন সত্যিই ক্রুদ্ধ হয়েছেন এবং এখন হয়তো কাউকে দোষী করার জন্য খুঁজতে শুরু করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার কূটনৈতিক দরকষাকষি কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আনতে পারেনি, যা তাকে বেশ চাপের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। দেশটির ওপর কড়া অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। ওয়াশিংটনের সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের আলোচনা বন্ধ হয়ে গেছে।

এসব কারণে পিয়ংইয়ংয়ে হয়তো এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে, কাউকে না কাউকে এজন্য মূল্য দিতে হবে।

এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, এ সপ্তাহের শুরুর দিকে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় রোডোঙ সিনমুন পত্রিকায় কারো নাম না উল্লেখ করলেও প্রতারক ও দলত্যাগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে, যারা দল-বিরোধী এবং বিপ্লব-বিরোধী কর্মকাণ্ড করেছে, তারা সবাই বিপ্লবের কঠোর বিচারের মধ্য দিয়ে যাবে। সেখানে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি, কিন্তু বার্তাটি পরিষ্কার।

অতীতেও কিম জং-আন অনেকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছেন।

২০১৩ সালে কিমের প্রভাবশালী ফুফা জং সঙ-থেককে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। সেই খবরটি উত্তর কোরিয়া ঘোষণা দেয়ার আগেই দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো প্রকাশ করেছিল।

তবে কখনো কখনো এরকম খবর মিথ্যা খবর বলেও প্রমাণিত হয়েছে।

এর মধ্যে একটি হলো গায়িকা হিউন সঙ-ওলের মৃত্যুর খবরটি। ২০১৩ সালে এই পত্রিকাই খবর প্রকাশ করেছিল যে, তার অর্কেস্ট্রার সদস্যের সামনেই তাকে মেশিনগানের গুলিতে মেরে ফেলা হয়েছে।

গত বছর গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আগে আগে উত্তর কোরিয়ার একটি প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দিয়ে সোলে আসেন পুরোপুরি জীবিত গায়িকা হিউন সঙ-ওল। তিনি এখন উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী নারীদের একজন।

দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা বাহিনী ২০১৬ সালে বলেছিল যে, সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান রি ইয়ঙ-গিলকে দুর্নীতির দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এর কয়েক মাস পরেই তাকে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেখা যায়- যেখানে তাকে পদোন্নতিও দেয়া হয়েছে।

সুতরাং, উত্তর কোরিয়ার ভেতরে থাকা ‘গোপন সূত্র’ হয়তো একজন সাংবাদিকের অমূল্য সম্পদ হতে পারে, কিন্তু কখনো কখনো সেটি অন্যদের জন্য জটিলতার কারণও হয়ে দাঁড়ায়।

কারণ তাদের দাবি পরীক্ষা করে দেখার মতো কোন উপায় নেই।

কিম হায়ক-চোলের পরিণতি আসলে কী হয়েছে, তা এখন নিশ্চিতভাবে জানার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দারা।

কিন্তু যতদিন পিয়ংইয়ং নিজেরা এ বিষয়ে ঘোষণা না দেবে, ততদিন অন্যদের পক্ষে হয়তো এ বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাবে না।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!