
কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় ২ জন নিহত হয়েছেন। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল আহমেদ, কনস্টেবল ইমাম হোসেন, মো. সোলেমান আহত হয়েছেন বলে দাবি করে পুলিশ।
নিহতদের একজন ৭ মামলার আসামি উপজেলার শীলবনিয়াপাড়া এলাকার ডা. হানিফের ছেলে সাইফুল। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। সাইফুল ইয়াবা ব্যবসায়ী ছিলেন বলে পুলিশের দাবি।
শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে টেকনাফ স্থলবন্দরসংলগ্ন এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে সাইফুল নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৯টি এলজি, এক লাখ ইয়াবা ও ৪২ রাউন্ড কার্তুজ, ৩৩ রাউন্ড খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ১নং ইয়াবাকারবারি ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সব তালিকায় নাম থাকা সাইফুলকে আগেই আটক করা হয়েছিল। পরে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্থলবন্দরের দক্ষিণ পাশে ইয়াবার চালান উদ্ধারে অভিযানে যায় পুলিশের একটি দল।
এ সময় পুলিশের অবস্থান টের পেয়ে ইয়াবাকারবারিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গুলি বিনিময় শেষে ঘটনাস্থলে সাইফুলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে টেকনাফ সদর হাসপাতাল হয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহত সাইফুলের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম ও টেকনাফ থানায় মাদকসহ অন্তত ৭টি মামলা রয়েছে বলে ওসি জানান।
এদিকে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পৌরসভার গফুরের চিংড়ি প্রজেক্ট এলাকায় বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান প্রবেশের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ বিওপির একটি দল অভিযান চালানোর সময় গুলিবিনিময়ে ওই ব্যক্তি নিহত হন বলে জানিয়েছেন বিজিবি-২ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল ফয়সাল হাসান খান।
তিনি জানান, ঘটনাস্থল হতে ১ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা ও একটি কিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে।