1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৭শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
নির্বাচনে বিএনপি ৪৯.৯৭ শতাংশ, জামায়াত ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে : ইসি মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ-১ আসনে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবীতে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন তিন নেতার হাতে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা ট্রাম্পের বর্ণবাদী ভিডিও বিতর্কে ‘রাজনীতির শালীনতা হারাচ্ছে’ : ওবামা কারাগারে অসুস্থ হয়ে রংপুর মেডিকেলে মৃত্যু: পলাশবাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ সামিকুল ইসলাম লিপন আর নেই গাইবান্ধার ৫টি সংসদীয় আসনে ২ নারীসহ ২৮ প্রার্থীর জামানত হারালেন গাইবান্ধা–২ আসনে পুনর্ভোটের দাবি বিএনপি প্রার্থীর গাইবান্ধা–৪-এ ভোটে অনিয়মের অভিযোগ। পাঁচ কেন্দ্রে পুনঃভোট ও সব কেন্দ্রের পুনর্গণনার দাবি তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ

জনগণের ক্ষতি করে কেউ পার পাবে না: অর্থমন্ত্রী

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ১৭ মে, ২০১৯
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আমরা কারো বিরুদ্ধে না। কিন্তু দেশের ক্ষতি করে, জনগণের ক্ষতি করে কেউ পার পাক তা আমরা চাই না।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ মে) দুপুরে সচিবালয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সবাই সবার জায়গা থেকে ব্যবসা বাণিজ্য করবে। কিন্তু মানি লন্ডারিং (মুদ্রা পাচার) করতে পারবে না। আর টেররিজমে অর্থায়নে করতে পারবে না। এই দুইটাই রোধ করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেহেতু বলেই দিয়েছেন- আমরা আর দুর্নীতি দেখতে চাই না। মানি লন্ডারিংও দুর্নীতি। টেররিস্ট ফাইন্যান্সিংয়ের অর্থও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত হয়ে টাকা এখানে ব্যবহার হয়। সুতরাং এই দুই ক্ষেত্রেই আমাদেরকে না বলতে হবে।

মুস্তফা কামাল বলেন, বিএফআইইউ বছরে আগে তিনটা মিটিং করতো। এখন আমরা ৪বার বসবো। প্রত্যেক মিটিংয়ে আগের মিটিংয়ের সিদ্ধান্তগুলো কতটা বাস্তবায়ন হলো, সেটা আমরা জানার চেষ্টা করবো।

তিনি মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রসে অর্থায়ন আইনের বিষয়ে বলেন, অনেক জায়গা আছে মামলা করতে গেলে দেখা যায় আইনগুলো দুর্বল। কারণ যখন এ আইনগুলো করা হয় তখন টেররিস্ট ফাইন্যান্সিং ছিলই না। সে আইনগুলো সংশোধন অবশ্যই আমরা করবো।

মুস্তফা কামাল বলেন, বিএফআইইউ সদস্যরা তারা দেখবে কোথায়ও কোনো অনিয়ম হয় কিনা। তারা সন্দেহজনক কোন লেনদেন দেখলে যথাযথ অথরিটিকে জানাবে। তাদের কাজ হলো অনুসন্ধান করা। তারা কোন অ্যাকশন নিতে পারবে না। তারা কেবল যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানাবে।

তিনি বলেন, এখানে কিছু বিদেশি কোম্পানি আছে। আমরা বলেছি বিদেশি কোম্পানি এককভাবে কোনো কাজ করতে পারবে না, কারণ তাদের থেকে আমরা কোনো ট্যাক্স পাই না। এজন্য আমরা বলেছি বিদেশি কোম্পানিকে আমাদের এখানে কাজ করতে হলে জয়েন্টলি কাউকে সাথে নিয়ে কাজ করতে হবে। অন্তত পক্ষে আমরা যেন অর্ধেক রেভিনিউ হলেও পাই।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থপাচারের ব্যবস্থা মূলত দুই জায়গা থেকে হয়। একটা হলো ব্যাংক, আরেকটা হলো এনবিআর। এই দুই প্রতিষ্ঠানের বাইরে বড় আকারে অর্থ পাচারের আর কোনো ব্যবস্থা নেই। এখানে থ্রো আন্ডার ইন ভয়েসিং, ওভার ইনভয়েসিং, কোন পণ্য আমদানি না করে মানি লন্ডারিং করে। সেগুলো আমরা রোধে স্ক্যানার ব্যবহার করবো। আর ওভার প্রাইসিং-আন্ডার প্রাইসিং চেক করার জন্য নিজস্ব আলাদা সেল থাকবে। তারা নেটে গিয়ে প্রত্যেকটা পণ্যের প্রাইস জানবে। ১৯/২০ হলে ওকে ফাইন। কিন্তু কোন চালানে যদি কোন বড় অনিয়ম পাওয়া যায় সেটি আমরা বাজেয়াপ্ত করবো।

তিনি বলেন, এখানেই শেষ না। যারা সেটা করবো, তাদেরকে এখন শুধু জরিমানা গুনতে হয়। সামনে জরিমানার পাশাপাশি তাদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হবে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!