
দুর্নীতি ও অনিয়মের শীর্ষে পলাশবাড়ী উপজেলা প্রকৌশলী এলজিইডির দপ্তর বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের দৃষ্টি নন্দন উন্নয়ন সাধিত করতে ব্যাপক বরাদ্দ দেওয়ার পরেও নিম্ন মানের কাজ করছে একটি বিশাল চক্র । অন্য দিকে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার বছর বছর কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। আর এসব বরাদ্দের টাকা ব্যয়ে লোকদেখানো কাজ করছে এ বিশাল চক্রটি। সারাদেশের ন্যায় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলায়।উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ( এলজিইডি) দপ্তর হতে পলাশবাড়ীতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রাস্তা পাকা করন ও পুর্ন সংস্কার প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। দুঃখ জনক হলে ও সত্য এই প্রকল্প গুলি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রতিটি প্রকল্পে নিম্ন মানের ইট,বালুর বদলে মাটি,নিম্ন মানের বিটুমিন কম পরিমাণ ব্যাবহার করে দায়সারা ভাবে প্রকল্প গুলির কার্য সম্পাদন করা হচ্ছে। ফলে টেকসই কোন উন্নয়ন হচ্ছে না বলে দাবী করেন সচেতন মহল।
কতিপয় ঠিকাদার স্বীয় স্বার্থ হাসিলের অসৎ উদ্দেশ্যে উপজেলা প্রকৌশলী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের ম্যানেজ করে যেন তেনো, দায়সারা ভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ সম্পাদন করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
পাশাপাশি দায়সারা কাজের ফলে প্রতি বছর একই সড়ক সংস্কার করে লক্ষ লক্ষ টাকা জলে ঢেলে নিজেদের পিসির ম্যানি বহাল করছে উপজেলা প্রকৌশলী এলজিইডি কর্মকর্তারা।
স্থানীয়রা এসব দায়সারা কাজের বিষয়ে বার বার অভিযোগ করার পর লোক দেখানো কাজ পরিদর্শন করেন এসব কর্মকর্তা। কর্মকর্তা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগসাজস উল্লেখিত রাস্তা গুলো বছরের পর বছর ফেলে রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে। জনদুর্ভোগ সৃষ্টির ভয় দেখিয়ে পরে আবারো নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে অবশিষ্ট সেই কাজ সম্পাদন করা হয়।
এসব কাজের অনিয়মের নিউজ করলে বা করতে চাইলে এসব কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগীতায় নিউজ গুলো বন্ধ করতে বা প্রতিবাদীদের থামাতে এক প্রকার আর্থিক সুবিধা প্রদান করে থাকেন।
পলাশবাড়ী উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির অব্যাহত এই দুর্নীতি অনিয়মের ফলে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ব্যাপক ভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে মনে করেন সচেতন পলাশবাড়ী উপজেলা বাসী।উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের বেলেরঘাট হতে শিমুলতলা সড়ক পাকা করণে নিম্নমানের ইট ও নদী হতে বালু উত্তোলন করে দায়সারা কাজ করছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
পলাশবাড়ী উপজেলা প্রকৌশলী এলজিইডির বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে বিস্তারিত জানতে উপজেলা প্রকৌশলী তাহাজ্জত হোসেন এর কাছে গেলে তিনি বলেন, আমার দপ্তরের সকল কাজ সঠিক রয়েছে। কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ সঠিক নয়। এরচেয়ে বেশী কোন মন্তব্য করতে রাজি নন তিনি।