1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৮শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
কারাগারে অসুস্থ অবস্থায় মেডিকেলে মৃত্যু পলাশবাড়ী উপজেলা আ’লীগ সভাপতি লিপন সরকারের দাফন সম্পন্ন নির্বাচনে বিএনপি ৪৯.৯৭ শতাংশ, জামায়াত ৩১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে : ইসি মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ-১ আসনে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবীতে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন তিন নেতার হাতে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা ট্রাম্পের বর্ণবাদী ভিডিও বিতর্কে ‘রাজনীতির শালীনতা হারাচ্ছে’ : ওবামা কারাগারে অসুস্থ হয়ে রংপুর মেডিকেলে মৃত্যু: পলাশবাড়ী মহিলা ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ সামিকুল ইসলাম লিপন আর নেই গাইবান্ধার ৫টি সংসদীয় আসনে ২ নারীসহ ২৮ প্রার্থীর জামানত হারালেন গাইবান্ধা–২ আসনে পুনর্ভোটের দাবি বিএনপি প্রার্থীর গাইবান্ধা–৪-এ ভোটে অনিয়মের অভিযোগ। পাঁচ কেন্দ্রে পুনঃভোট ও সব কেন্দ্রের পুনর্গণনার দাবি

বাংলাদেশের সমাজ একক মায়ের জন্য কতটা সহজ?

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ১৪ মে, ২০১৭
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বের অনেক দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারকে পালন করা হয় ‘মা দিবস’ হিসেবে। বাংলাদেশেও, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে গত বেশ কয়েক বছর যাবত ‘মা দিবস’ পালন করা হয়।

বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে সিঙ্গেল মাদার বা একক মায়েদের সন্তানকে বড় করে তোলার ক্ষেত্রে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়।

তারপরও অনেক মা নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এককভাবে তাদের সন্তানকে বড় করে তুলছেন।

এমনই একজন মা ড্যানি রহমান, ডিজ্যাবিলিটি আছে, এমন শিশু জন্মদানের পর যার সংসার ভেঙ্গে গিয়েছিল।

বাবা তার সন্তানকেও ছেড়ে গেলেও, মা হিসেবে তিনি এককভাবেই ছেলেকে বড় করে তুলেছেন।

বর্তমানে গড়ে তুলেছেন স্নায়বিক প্রতিবন্ধকতা আছে এমন শিশুদের জন্য কারিগরী শিক্ষার প্রতিষ্ঠান।

একক মা হিসেবে কী ধরনের প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে?

ড্যানি রহমান বলছিলেন ‘একক মা একটি পরিচয় হতে পারে এই জায়গাটাতে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সামাজিকভাবে আসতে পারেনি। সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টা একদমই কম। সম্প্রতি হয়তো এই কথাটা সামনে আসছে।’

‘কিন্তু এখনো শুধু সামাজিকভাবেই নয় পরিবারের ভেতরেও এই গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়নি যে আপনি সিঙ্গেল মা হিসেবে থাকবেন’।

তাছাড়া অর্থনৈতিক বিষয়টাও একটা বড় বিষয় বলে মনে করেন ড্যানি রহমান।

‘অনেক নারী অর্থনৈতিকভাবে স্বালম্বী না বা শক্তিশালী অবস্থানে থাকে না। আর সাইকোলজিক্যালি নারী হিসেবে এতটা শক্তিশালী এখনো সবাই হয়নি যে নিজের আইডেনটিটি নিশ্চিত করবে’।

ড্যানি রহমান বলছিলেন একা মা হিসেবে সামনে এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে সহযোগিতার জায়গাটাও এখনো সামাজিকভাবে বা পারিবারিকভাবে তৈরি হয়নি।

‘এখনো ধরে নেয়া হয় একজন নারী তার একটা সাইনবোর্ড থাকবে যে সে তারা বাবা বা ভাইয়ের অধীনে থাকবে বা তার স্বামীর সাথে থাকবে’।

ড্যানি রহমানের ছেলের বয়স যখন ছয়-সাত বছর তখন তার সংসার ভেঙে যায়। প্রতিবন্ধী সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য ড্যানি রহমানকে অনেক চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। একজন নারী হিসেবে ড্যানি রহমানের প্রত্যাশা অনুযায়ী সুস্থ-সবল সন্তানের জন্ম দিতে পারেননি। সন্তান প্রতিবন্ধী হবার কারণে তাকে সামাজিক ও পারিবারিকভাবে অনেক চাপের মধ্যে পড়তে হয়েছে।

প্রচণ্ড শারীরিক এবং মানসিক কষ্ট এবং যন্ত্রণার ভেতর দিয়ে দিন পার করেছেন ড্যানী রহমান। লোকের মন্দ কথাও তাকে শুনতে হয়েছে।

এমনকি অন্য লোকের কাছ থেক ড্যানি রহমানকে শুনতে হয়েছে ‘তোমার কোন পাপের জন্য বাচ্চাটা এ রকম হয়েছে’।

ড্যানি রহমান বলছিলেন তখন তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে সন্তানের দিকটা তিনি বেছে নেবেন না ছেলের দিকে নজর দিবেন।

‘তখন সামাজিকভাবে তৈরি ছিলামনা। আশেপাশের ফিডব্যাক কেমন আসবে , গ্রহণযোগ্যতার জায়গাটা কেমন হবে। কী বাধা আসবে ওই রাস্তায় না গেলে আমি জানতামনা ওই পরিস্থিতিটা কেমন হবে’- বলছিলেন তিনি।

পারিবারিক এবং সামাজিক চাপ সামলে প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে কোনো মায়ের একা এগিয়ে যাওয়ার ঘটনা খুব বেশি নেই।

অল্প কিছু উদাহরণের মধ্যে ড্যানি রহমান অন্যতম একজন। তিনি বেশ বাধা-বিপত্তি পার করেই নিজের সন্তানকে লালন-পালন করেছেন।

শেষ পর্যন্ত ড্যানি রহমানের ছেলে এ লেভেল পাশ করেছেন এবং এখন কারিগরি প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

তার মতে, ‘প্রত্যেকের জীবনে এগিয়ে যাবার জন্য নিজস্ব পছন্দ বা লক্ষ্য থাকে। কিন্তু আমরা অনেকেই মেয়ে হিসেবে নিজেদের সম্মান দেয়ার বিষটা, বাচ্চা, পরিবার, সমাজ সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে নিজেদের সম্মান দেয়ার জায়গাটা বাংলাদেশের পরিবেশে নারীরা অনেকেই তৈরি করতে পারেনি বা তৈরি হয়নি। কিন্তু সেই জায়গাটা যখন মেয়েরা তৈরি করতে পারবে তাহলে যে স্ট্রাগলের জায়গাটা আমরা পার হয়েছি ওই স্ট্রাগলের জায়গাটা হয়তো কমবে’।

সূত্র: বিবিসি

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!