
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে শ্বশুরবাড়ির পাশ থেকে জামাতা মনিরুলের (২৫) গলাকাটা লাশ উদ্ধারসহ বউ শাশুড়িকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে নৃশংস খুনের ঘটনাটি ঘটেছে।এ ব্যাপারে নিহতের বাবা আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার বিবরণ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায় কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের কাশিয়াবাড়ী গ্রামের আসাদুল ইসলামের ছেলে গার্মেন্টস কর্মি মনিরুেেলর সাথে গত কয়েকমাস আগে জাফর উত্তরপাড়া গ্রামের তারা মিয়ার মেয়ে শম্পা আকতার তন্বী (১৯) আকতারের সাথে বিয়ে হয়।
নববধূ তন্বী তার বাবার বাড়ীতে অবস্থান করায় মনিরুল ঘটনার রাতে শ্বশুর বাড়ীর উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হয়।থানা পুলিশ ইনচার্জ হিফজুর আলম মুন্সি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গভীর রাতে শ্বশুর বাড়ির মাত্র অনতিদূর থেকে তার রক্তাক্ত গলাকাটা মরদেহটি প্রথমে স্থানীয়রা ওইস্থান থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখাানে চিকিৎসকরা মনিরুলের মৃত্যু নিশ্চিত করায় মরদেহটি নিয়ে মনিরুলের নিজ বাড়ীতে নেয়া হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানালে ঘটনাস্থল থেকে লাশ থানায় নেয়।
হিফজুর আলম বলেন, মনিরুলের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি পারিবারিক কলহের জের ধরে মনিরুল নিজে-নিজেই তার গলাকেটে আত্মহত্যা করেছে। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি হত্যাকান্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।ঘটনার পর থেকে শ্বশুর তারা মিয়া পলাতক রয়েছেন। প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মনিরুলের স্ত্রী তন্বী ও শাশুড়ি জাহানারা বেগমকে থানায় নেন।
পরে স্ত্রী-শ্বাশুড়িসহ ৪ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ ওই দুইজনকে গ্রেফতার করেন। প্রাথমিক সুরুতহাল রিপোর্ট তৈরী শেষে ময়না তদন্তের জন্য লাশ গাইবান্ধা মর্গে প্রেরণ করা হয়।